,

বিপিএল থেকে পাক ক্রিকেটারদের ফেরানোর পরিকল্পনা পিসিবি’র!

news-image

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দুই নেতাকে ফাঁসির পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। কয়েক দিন ধরেই বিষয়টি কেন্দ্র করে চলছে তর্কযুদ্ধ। পাকিস্তান স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে ঘটনার নিন্দা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ থেকেও করা হয়েছে কঠোর প্রতিবাদ। এরই মধ্যে দেশটি থেকে দাবি উঠেছে বিপিএলে খেলা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ফেরৎ নেয়ার। পিসিবিও সেই দাবি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে।
গত ২২ নভেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধে বিএনপি নেতা সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির পর বিপিএল নিয়ে এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান শুরু থেকেই এ বিচারকে ‘দুর্বল’ উল্লেখ করে অভিযুক্তদের মুক্তি দাবি করে আসছে। তাহরিক ইনসাফের নেতা ইমরান খানসহ অনেকেই ফাঁসি বন্ধে প্রয়োজনীয় চেষ্টা চালিয়েছেন। তবে এসব বিফল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তান। সম্পর্কের উন্নতি না হলে বিপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের না খেলানোর দাবি করেছেন বিশ্লেষকরা।
পাকিস্তানের উর্দু পত্রিকা ‘দৈনিক পাকিস্তান’ এক প্রতিবেদনে বুধবার জানিয়েছে, পিসিবি শিগগির বিপিএলে খেলতে যাওয়া পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছে। কারণ হিসেবে বলা হয়, বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্ক চলমান সময়ে খারাপের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। পাকিস্তান হাই কমিশনারকে ডেকে নিয়ে সাবধান করা হয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্ক ভারত পাকিস্তানের চেয়েও খারাপ।
তবে পিসিবি এই মুহূর্তে ঠিক কী চিন্তা করছে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
প্রতিবেদনে অভিযোগ করে বলা হয়, সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ওয়াজেদের পাকিস্তান সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। ভারতের চেয়েও যা বেশি ছিল। এমনকি তার পুরো বক্তব্যে যেখানে সার্কের সব দেশের কথা উল্লেখ করেছেন সেখানে পাকিস্তানের কথা উল্লেখ করা উচিত মনে করেননি। যেন তিনি পাকিস্তানকে সার্কের অংশীদার দেশ মানতেও রাজি নন। এর আগে পাকিস্তান বাংলাদেশ দ্বি-দেশীয় ক্রিকেট সিরিজে শেখ হাসিনা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলানোর সৌজন্যও দেখাননি। কেবল বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলে গেছেন। এটা শুধু মেহমানদের ভদ্রতার খেলাফ নয়, কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতও।
পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসা খেলোয়াড়দের তিরস্কার করে বলা হয়, এরা এতটাই পয়সার পাগল যে, দেশের সম্মানের বিষয়েও খেয়াল রাখতে রাজি নয়। ক্রিকেটার মুহাম্মদ হাফিজ বলার আমেরের সঙ্গে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশে খেলতে কোনো সমস্যা দেখেননি। আর পাকিস্তান টেস্ট অধিনায়ক মিসবাহুল হকসহ কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটার খুশিতে বাংলাদেশ চলে গেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে যখন সম্পর্ক এতটাই খারাপ, তাদের রাজনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে এতটা ফারাক সেখানে ক্রিকেটের মাঠে কেন এমনটা থাকবে না। সম্পর্কের অবনতির কারণেই আইপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা নিষিদ্ধ। তবে বাংলাদেশে কেন নিষিদ্ধ হবে না?- দৈনিক পাকিস্তান

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে