মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেলেটা আসলেই আমার স্ত্রী শারীরিক সম্পর্ক করে…

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : আমাদের সমাজে কত কিছুই না ঘটে যাচ্ছে। ভালো মন্দনিয়ে আমাদের সমাজ পরিচালিত হচ্ছে। কিছু ঘটনা আসলেই মর্মাহত হয়। পাঠক আসুন এমনি এক সত্য ঘটনা পড়া যাক। আমার স্ত্রী ২০১০ সালে একটা ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়, এই নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক ঝগড়া হতো, তারপরও আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ছিল। এরপর ছেলেটার বিয়ে ঠিক হলে ওদের মধ্যে দুরত্ব তৈরি হয়, তখন অন্য একটা ছেলের সাথে ফেইসবুকে ওর পরিচয় হয়। ২০১১ সালের দিকে এসব জানতে পেরে ওর আগের প্রেমটা একেবারে ভেঙে যায়, আর আমার স্ত্রী আমাকে বলে যে এই ছেলেটার সাথে ওর শুধুই বন্ধুত্বের সম্পর্ক। পরে আমি জানতে পারি ওদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক আছে।

 


ছেলেটা বিদেশে থাকে আর দেশে এলেই মিলিত হয়। এইসব জানার পর আমি অনেক কষ্ট পাই, কারণ আমি ওকে অনেক বেশি বিশ্বাস করতাম। অন্য মেয়েদের ভালো লাগলেও ওর সাথে কখনো বিশ্বাস ভঙ্গ করিনি, ও ছাড়া কখনো কারো সাথে কোনো শারীরিক সম্পর্ক করিনি । এখন আমরা এক বাসায় থাকলেও আলাদা থাকি, আমি ডিভোর্স দিতে চেয়েও আমার দুইটা বাচ্চার কথা ভেবে দিতে চাচ্ছিনা, কিন্তু মানসিক অশান্তিতে ভুগছি। এখন কী করা উচিত কিছুই বুঝতে পারছিনা, প্লিজ আমাকে একটা সমাধান দিন। প্রশ্নটি করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুবক।

 


পরামর্শ: 
আপনাদের ব্যাপারটা আসলেই খুব দুঃখজনক। এত কিছুর পরও সংসার কীভাবে টিকে আছে, সেটা ভেবেই আমি অবাক হচ্ছি। সাথে এটাও বুঝতে পারছি না যে আপনার স্ত্রী এমন কেন করছেন। মানুষের একবার ভুল হয়েই যাচ্ছে। কিন্তু একই কাজ তিনি কেন বারবার করছেন, তাঁর কি সংসারের মায়া নেই? যদি তাঁর সংসারের মায়া না-ই থেকে থাকে, তাহলে তো তাঁর সাথে সংসার করার বৃথা। আপনার বাচ্চাদের বয়স কত লেখেন নি। এটা সত্যি যে মা বাবার ডিভোর্স বাচ্চাদের খুব কষ্টে ফেলে দেয় কিন্তু সাথে এটাও সত্যি যে মা বাবার পরকীয়া আর দাম্পত্য কলহও বাচ্চাদের সর্বনাশ করে দেয়। আমার মনে হয় ভাই আপনি একটা শেষ চেষ্টা করে দেখুন। স্ত্রীর সাথে একদম খোলামেলা কথা বলুন।

 


আপনি কী জানেন, কী জানেন না সব বিষয়ে। সেটা এটাও বলুন যে বাচ্চাদের কথা ভেবে আপনি ডিভোর্স নিতে চাইছেন না। আপনি চাইহেন দুজনে মিলেমিশে সংসার করতে। তিনি যদি সেটা পারেন ভালো, নাহলে আপনি ডিভোর্স দেবেন এবং স্ত্রীর কোন দায় নেবেন না। এরপর দেখুন স্ত্রী কী বলেন ও করেন। তিনি যদি তারপরও একই রকম কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন, তাহলে আর সম্পর্ক জোর করে সম্পর্ক রাখার কোন মানে নেই। তবে আপনি যেমন সন্তানদের ভালোবাসেন, তিনিও ভালোবেসে থাকলে তাঁর সুপথে ফেরার কথা। একটা ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে শেষ চেষ্টাটা অবশ্যই করবেন ভাই।

এ জাতীয় আরও খবর

ভারতের রিয়্যালিটি শোতে বিশেষ অতিথি জয়া আহসান

হানিয়া-সাজালের সঙ্গে বন্ধুত্ব নেই : মাহিরা খান

হাসপাতালে রাম চরণ, অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন?

৪৫ দিন পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শুরু মঙ্গলবার

ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির

কলকাতা উপ-হাইকমিশনে প্রথম সচিব হলেন উম্মে মারুফা

সঞ্চয়পত্রে ফিরেছে বিনিয়োগের ইতিবাচক ধারা

জামিননামা গ্রহণ, আজ মুক্তি পেতে পারেন কলিমউল্লাহ

অভিনয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে রোনালদোর

২ হাজার একর খাসজমি অবৈধভাবে দেওয়ায় ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

কক্সবাজারে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই বোনসহ নিহত ৩

গ্যাস সংকট কাটতে শুরু করবে আগামী সপ্তাহে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী