বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাকা-মুজাহিদের প্রাণভিক্ষা সরকারের ‘প্লাস পয়েন্ট’

news-image

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মুজাহিদের ফাঁসির আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন কিনা ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পরেও দেশে এ নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক।


সরকার বলছে দ-িতরা প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন কিন্তু দ-প্রাপ্তদের পরিবাররা বলছেন, তারা প্রাণভিক্ষা চাননি। দুজনের মৃত্যুর পরেও প্রাণভিক্ষার বিষয়টা কেন এতো গুরুত্ব পেয়েছে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রহমান বলেন, এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পত্রপত্রিকায় আমরা দুটো ভিন্ন মত দেখতে পারছি। পরিবারের কথা তারা (সাকা-মুজাহিদ) প্রাণভিক্ষা চাননি, আবার সরকার বলছে- তারা প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন। সেই ক্ষেত্রে আমাদের সংবিধানের ৪৮ ও ৪৯ এ যেসব কথা বলা আছে, সেই কথাগুলো এখন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।


প্রাণভিক্ষার বিষয়টা এত গুরুত্বপূর্ণ কেনÑ সেই বিষয়ে সংবিধানে যা বলা আছে, যিনি অপরাধ করেছেন এবং উচ্চ আদালত কর্তৃক তিনি শাস্তি প্রাপ্ত হোন। তিনি যদি ক্ষমা প্রার্থনা চান সেটার জন্য নির্দিষ্ট ফরম আছে, সেই ফরমে অপরাধীকে অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে। এটাই হচ্ছে মূল কথা। সেক্ষেত্রে তাদেরকেও (সাকা-মুজাহিদ) অপরাধ স্বীকার করেই আবেদন করতে হবে। নির্দিষ্টভাবে তাদেরকে বলতে হবে তারা অপরাধ করেছেন এবং সেই অপরাধের দায়ে প্রাণদ- দেয়া হয়েছে। সেই জন্য তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন এটা নির্দিষ্ট ফরম বা লিখিতভাবে করতে পারেন। আসলে তারা দুজন প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন কিনা সেটা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।


সাকা-মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন, সরকার তা প্রমাণের চেষ্টা করছে, এটা কেন করা হচ্ছে? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে তারা যদি অপরাধ করে থাকেন তা স্বীকার করতে হবে। তারা অপরাধ করেছেন এবং অপরাধের জন্য শাস্তি হয়েছে। এ কথা যদি তারা স্বীকার করেন তাহলে সরকার সেটাকে ‘প্লাস পয়েন্ট’ হিসেবে দেখতে পারেন। ইতোমধ্যে এ দুটা রায় নিয়ে বিদেশে কথাবার্তা হচ্ছে। আসলে তারা যদি প্রাণভিক্ষা চেয়ে থাকেন সেটা সরকারের কাছে ‘প্লাস পয়েন্ট’। এর আগে জামায়াতের নেতা কাদের মোল্লা ও কামরুজ্জামান প্রাণভিক্ষা চাননি। ফলে এখন যদি নতুন করে জামায়াতের নেতা মুজাহিদ প্রাণভিক্ষা চান, সেটা সরকারের কাছে ‘প্লাস পয়েন্ট’ হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। সেজন্যই প্রাণভিক্ষার বিতর্কটা তৈরি হয়েছে বলে আমার ধারণা।’

এ জাতীয় আরও খবর

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে