বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরেকটি হোয়াইটওয়াশ দেখবে বাংলাদেশ ?

news-image

সোমবার জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের স্কোর যখন ২৪১-এ থামল, তখন মনে হচ্ছিল, টাইগারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। তারপর যখন জিম্বাবুয়ে সত্যি সত্যিই এগিয়ে যেতে লাগল, তখন অনেকেই ভয় পাচ্ছিলেন, সিরিজে বুঝি সমতা ফিরে এলো। কিন্তু না, তারা ৪৩.২ ওভারের বেশি টিকে থাকতে পারেনি। বাংলাদেশ তাদের সহজেই থামিয়ে দিতে পেরেছে।


এখন বুধবার তৃতীয় ও শেষ একদিনের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। চলতি বছর এটাই হবে বাংলাদেশের শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিজেদের মাটিতে পরাজিত করে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছে টাইগাররা, তাতে করে বছরের শেষ ম্যাচে জয়টা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 


তবে দুই দলের যে অবস্থা তাতে মাশরাফি বাহিনী সহজেই জয় পাওয়ার আশা করতে পারে। তিনি তো আছেনই, তার সাথে মুস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন, আরাফাত সানিরা বল হাতে যে দুর্ধর্ষ পারফর্ম করে চলেছেন, তাতে জয়টাই সহজ হিসাব।


অবশ্য ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে কিছুটা চিন্তা রয়েই গেছে। মুশফিক রহীম, সাব্বির রহমান, ইমরুল কায়েস ভালোই ব্যাট করছেন। নাসির হোসেন, তামিম ইকবাল বড় কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু মাহমুদুল্লাহ, লিটন দাসরা নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না। 


জিম্বাবুয়ের মাত্র দুই ব্যাটসম্যান এলটন চিগুম্বুরা ও সিকান্দার রাজা কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পেরেছেন। তারা সোমবার দ্বিতীয় ম্যাচে ৭৩ রানের পার্টনারশিপ করে জয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছিলেন। 


সাকিব না থাকাটাও আরেকটা সমস্যা। 

এ জাতীয় আরও খবর

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে শুরু হচ্ছে হজ-ওমরাহ মেলা

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সরকার ও বিএনপিতে রদবদলের আলোচনা

গ্যাস সংকটে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী, চুলা ও সিএনজি দুই-ই বিপাকে