সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড়ি কমলা বাজারে

news-image

পাহাড়ে উৎপাদিত টসটসে ও রসালো কমলা এখন বাজারে। ইতিমধ্যে এখানকার কমলায় সয়লাব হয়ে গেছে স্থানীয় বাজারগুলো। তবে এখনও ফলগুলো স্বাদে পরিপক্ব হয়নি। ফলে স্বাদে কিছুটা টক এবং রঙে সবুজ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে তিন পার্বত্য জেলায় কমলার প্রচুর ফলন হচ্ছে। বেড়েছে কদর। স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে পাহাড়ের কমলা বাজারজাত হয়ে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।25_335949

চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক মৌসুমে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক হারে কমলার চাষাবাদ হচ্ছে। ফলন পাওয়া যাচ্ছে আশানুরূপ। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাহাড়ের কমলা বাইরে বাজারজাত সম্ভব হচ্ছে। এর কয়েক বছর আগেও পার্বত্যাঞ্চলে কমলা আমদানি করা হতো রাজশাহী, সিলেটসহ দেশের অন্য অঞ্চল থেকে। এখন পাহাড়ে উৎপাদিত কমলা যাচ্ছে পার্বত্য জেলার বাইরে। উৎপাদন বেশি হওয়ায় স্থানীয় বাজারে কমলার দাম সহনীয়। প্রতি কমলা বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ফলন ভালো দেখে পার্বত্যাঞ্চলে অনেকে কমলা চাষে ঝুঁকছেন। komla1ইতিমধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় কমলার চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাহাড়ে কমলা চাষে সরকারিভাবেও একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রকল্পে পার্বত্য তিনটি জেলায় মিশ্র ফসল চাষের মাধ্যমে চাষীদের সহায়তা দিচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সবচেয়ে বেশি কমলার চাষাবাদ হচ্ছে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে। এদিকে কৃষি বিভাগের দায়িত্বশীল স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ছাড়াও পার্বত্য তিন জেলাসহ দেশের মোট ১০ জেলায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি কমলা চাষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দেশে কমলা চাষের প্রচুর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পাহাড়ি এলাকাবেষ্টিত ওই ১০ জেলার চল্লিশ উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। জিওবি ফান্ডের অর্থায়নে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারের কৃষি বিভাগ কমলা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে শুরু করা পাঁচ বছর মেয়াদের ওই প্রকল্পটি শেষ হয়েছে ২০১২ সালে। প্রকল্পে আশানুরূপ সাফল্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।


প্রকল্প সূত্র জানায়, ওই প্রকল্পের আওতায় ৬০ হাজার কমলা চাষীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পে পার্বত্যাঞ্চলের খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, দীঘিনালা ও রামগড়, রাঙ্গামাটি জেলার সদর উপজেলা, বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই ও নানিয়ারচর এবং বান্দরবান জেলার সদর উপজেলা, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম ও
রোয়াংছড়ি উপজেলায় কমলা চাষে স্থানীয় চাষীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হয়। কমলার বীজ থেকে চারা গাছ সৃষ্টির জন্য রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় প্যাকিং হাউস এবং নার্সারি উন্নতকরণ প্রক্রিয়া স্থাপন করে চাষীদের কৃষি সহায়তা দেয়া হয়েছে।
 

এ জাতীয় আরও খবর

অভিনয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে রোনালদোর

২ হাজার একর খাসজমি অবৈধভাবে দেওয়ায় ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

কক্সবাজারে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই বোনসহ নিহত ৩

গ্যাস সংকট কাটতে শুরু করবে আগামী সপ্তাহে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা রাজনৈতিক: পার্থ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক মঙ্গলবার

যুবদল কর্মী হত্যা: ২৫ লাখ টাকায় ৪ শুটার ভাড়া, দাবি ডিবির

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ইসি

যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল

আইনশৃঙ্খলা উন্নত না হলে বিনিয়োগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ৩৫ দেশে সহজ ভ্রমণ সুবিধা