,

ইয়াবার সঙ্গে এবার আসছে মারিজুয়ানা , মারিজুয়ানা কী?

news-image

ইয়াবার পাশাপাশি এবার মিয়ানমার থেকে টেকনাফ সীমান্ত হয়ে ঢুকছে মারিজুয়ানার (এক ধরনের মাদক) চালান। ইয়াবা পাচারকারীরাই ওই কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। টেকনাফ থানা পুলিশ গতকাল সোমবার সকালে নাফ নদীর তীরবর্তী হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল গ্রামের একটি ঘরে তল্লাশি চালায়। মাদকের চালান মজুদের খবর পেয়ে ওই অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রায় ৬ কেজি মারিজুয়ানা উদ্ধার করা হয়েছে। আর আটক করা হয় ফুলের ডেইল গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল গাফ্ফারের ছেলে শামশুল আলম বাবুল ওরফে রিয়াজ উদ্দিন বাবুল (৩৫) এবং মাদক মজুদের ওই ঘরের বাসিন্দা ফিরোজকে। পুলিশ জানায়, আটক শামশুল আলম বাবুল এলাকায় 'ইয়াবা বাবুল' নামে পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে সরাসরি ইয়াবা পাচারে জড়িত। এর মাধ্যমে এখন কোটি টাকার সম্পদের মালিক তিনি।

এলাকাবাসী জানান, টেকনাফের হ্নীলা স্টেশনে সমপ্রতি এক কোটি টাকা দিয়ে মাত্র ৪০ শতক জমি কিনে 'ইয়াবা বাবুল' এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি মিয়ানমার থেকে এতোদিন ইয়াবার পাশাপাশি 'বোতলজাত' মদ পাচার করে আসছিলেন। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে বাবুল মারিজুয়ানার চালান আনা শুরু করেছেন। মারিজুয়ানা স্থানীয়ভাবে 'গাঁজা' হিসেবেও পরিচিত। এ প্রসঙ্গে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার  বলেন, 'মিয়ানমার থেকে ইয়াবা বাবুলের মারিজুয়ানার চালান আনার সংবাদ পেয়েই পুলিশ ওতপেতে ছিল। উপ-পরিদর্শক শাফায়েত আহমেদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সোমবার সকালে ফুলের ডেইল গ্রামের জনৈক ফিরোজের ঘরে অভিযান চালায়। এ সময় ৬ কেজি মারিজুয়ানার চালান উদ্ধার করা হয়।'

ওসি জানান, মাদক পাচারকারীরা মিয়ানমার থেকে নিত্যনতুন মাদকের চালান আনার মাধ্যমে মাদকাসক্তদের রুচির পরিবর্তন করার সুযোগ করে দিচ্ছে। এতে দেশের যুব সমাজের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেন, 'টেকনাফ সীমান্তে মানব পাচারকারীদের পাশাপাশি মাদক পাচারকারীর বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে পুলিশ। এই অভিযান চলবেই।'

মারিজুয়ানা কী?

মারিজুয়ানা এক ধরনের শন জাতীয় উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম 'Cannabis indica'। এর সবুজ, বাদামি বা ধূসর বর্ণের শুকনো পাতা, কাণ্ড, বীজ ও ফুলের বহুল ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষ করে 'সাইকোঅ্যাকটিভ ড্রাগ' তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ব্যবহৃত অবৈধ বস্তু হচ্ছে মারিজুয়ানা।05_275936

খ্রিস্টের জন্মের তৃতীয় সহস্রাব্দ আগে মারিজুয়ানা গ্রহণের প্রথম ঘটনা ঘটে। আধুনিক যুগে বিনোদনের জন্য, ধর্মীয় উদ্দেশ্যে এবং ওষুধ হিসেবেও মারিজুয়ানা ব্যবহৃত হয়। ২০০৪ সালে জাতিসংঘের এক হিসাবে, বছরে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার চার শতাংশ মারিজুয়ানা গ্রহণ করেন। আর ০.৬ শতাংশ লোক প্রতিদিন এটি গ্রহণ করেন। বিশ শতকে বিশ্বের বেশির ভাগ স্থানে মারিজুয়ানা বিপণন, উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ