কলেরার টিকা শুরু, পাবেন না অন্তঃসত্ত্বারা
অনলাইন ডেস্ক : কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকা দেওয়ার কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। শনিবার থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ ছয় জেলার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় এ টিকাদান কার্যক্রম চলছে। এতে ৫১ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এক বছর বা তার বেশি বয়সী সবাই এ টিকা নিতে পারবেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই টিকা দেওয়া হবে না।
ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের তেজগাঁও, খিলক্ষেত ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগর এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল উপজেলাতেও টিকা দেওয়া হচ্ছে।
কর্মসূচির আওতায় প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে ২২ আগস্ট থেকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর। কলেরা থেকে কার্যকর সুরক্ষা পেতে যোগ্য ব্যক্তিদের দুই ডোজই গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে। গ্যাভি, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএফআরসি, আইসিডিডিআর,বি ও অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান এতে সহায়তা করছে।
টিকা নিতে যোগ্য নাগরিকদের আগে নিবন্ধন করতে হবে। এজন্য VaxEPI ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে। কিউআর কোড স্ক্যান করেও নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। নিবন্ধনের মাধ্যমে নাগরিকদের ন্যাশনাল হেলথ আইডি তৈরির সুবিধা পাওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, উচ্চ ও অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কলেরায় আক্রান্ত হওয়া এবং মৃত্যুর হার কমানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
তবে শুধু টিকা নয়, কলেরা প্রতিরোধে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কর্মসূচিতে লক্ষ্যভুক্ত সবাইকে অংশ নিয়ে নির্ধারিত সময়ে দুই ডোজ টিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।











