শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সম্পর্কের ভাঙন ঠেকাতে যা করবেন

news-image

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে উষ্ণতার পারা নিম্নগামী? নতুন করে তাকে সেঁকে নিতে চান? মেনে চলুন স্রেফ দু-চারটে নিয়ম।

অনবরত একে অপরকে দোষারোপ করা, কথায় কথায় কথা বন্ধ করে দরে সরে যাওয়া, ছোটখাটো ব্যাপারে অসহিষ্ণুতা, অন্যায্য দাবি-দাওয়ার চাপ বা এ রকমই অন্য কোনও কারণে হয়তো এককালের উষ্ণ সম্পর্ক ঠান্ডা হতে শুরু করে। অনভিজ্ঞতার কারণে তাকে চিনতে পারা যায় না। বা চিনলেও নিজের দোষ বুঝে তাতে প্রলেপ লাগানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইগো। ফলে বিরূপতা বাড়ে। বাড়তে-বাড়তে হয়তো বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যমই। তারপরও ইগো ও অভিমানের যুগলবন্দিতে অধরা হয়ে যায় কাছে আসা। সম্পক এসে দাঁড়ায় ভাঙনের মুখে। তাকে বাঁচাতে তখন ডাক পড়ে অন্য লোকের। কখনও বাড়ির লোক, কখনও বন্ধু-বান্ধব। কখনও বা দ্বারস্থ হতে হয় প্রফেশনালের। কিন্তু সত্যি বলতে কি, এত কিছুর দরকারই হত না, যদি একটু বুদ্ধি করে চলা যেত। কারণ সম্পর্ক কেবল ভালোবাসায় বাঁচে না। তাকে বাঁচাতে গেলে চাই যুক্তি-বুদ্ধি-বিবেচনার মিশেল। একটু হিসেব-নিকেশ। একমাত্র তাহলেই ভাঙন ধরা এড়ানো যায় বা ধরলেও মেরামত করা যায় সহজেই।

সম্পর্ক বাঁচানোর নিয়ম

যত মতবিরোধই হোক, সম্পর্কের শুরুতে নিজেদের যে নাম দিয়েছিলেন, আগাগোড়া সেই নামে ডাকুন। ইচ্ছে না হলেও ডাকতে হবে। কারণ সব কিছুর পরও এটুকু ভালোবাসার ছোঁয়াই হয়তো সম্পর্ককে খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে আনবে। তার পাশাপাশি, যত রাগই হোক না কেন, কথাবার্তা বন্ধ করে দেবেন না। দরকারি কথাগুলি অন্তত বলুন। অন্যজন না বলতে চাইলে, আপনি বলুন, উপযাজক হয়ে। এতে যদি ইগো আহত হয়, তাহলে কিন্ত্ত সর্বনাশ অনিবার্য।  

মনে রাখবেন, দু-এক কথায় তাঁর কাজের, চেহারার বা পোশাকের প্রশংসা করে বরফ গলানোর চেষ্টা করুন। সেই মুহূর্তে প্রত্তুত্যর না পেলেও নিশ্চিত থাকুন, মনের মেঘ কিছুটা হলেও কাটবে। মন ভালো হবে বিয়ে বা হানিমুনের ছবি দিয়ে ঘর সাজালে। অন্যজনের সিঙ্গল ছবিও সাজিয়ে রাখতে পারেন কোথাও। দিনের মধ্যে এক-আধবার ফোন বা টেক্সট করুন। মাঝে মাঝে তাঁর পছন্দের কিছু খাবার বা জিনিস, বানিয়ে বা কিনে সামনে রেখে দিন। ঝামেলার মূলে আপনার কোনও হাত না থাকলেও, অন্যজন যদি ১০০ শতাংশও দায়ি হন, তিনি 'সরি' বললে ব্যাপারটা সেখানেই মিটিয়ে নিন।

গায়ের ঝাল তাঁর উপর না মিটিয়ে অন্য কোনওভাবে নিজেকে ঠান্ডা করুন। কারণ ঝামেলাকে পুরোনো হতে দিলেই তার ডালপালা গজিয়ে যায়। তাছাড়া, আপনি ঠিক ছিলেন আর তিনি ভুল, এই ধরনের বাক্য বিনিময়ে সম্পর্কের অবনতি হয়। অবনতি হয় অনবরত তাঁর ভুল ধরিয়ে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, বিশেষত অন্য কারও সামনে। নিজে ঠিক কাজ করলে তা নিয়ে বেশি কিছু বলবেন না। কিন্তু ভুল করলে ক্ষমা চাইতে যেন দেরি না হয়। আবার তাঁর কাছ থেকে সামান্যতম সাহায্য পেলেও 'থ্যাঙ্ক ইউ' বলুন। মূল্য দিন তাঁর পছন্দ-অপছন্দকে, দেখবেন সম্পর্ক আলুনি হবে না কখনও। বা হলেও খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে।

সম্পর্কের লবণ-মরিচ

সব সময় দু-জনে আনন্দ না করে, একে অপরের পছন্দের মানুষদের বাড়িতে ডাকুন। এতে দু-জনেরই মন ভালো থাকবে। যাঁরা বেশি হাসেন তাঁদের বিবাহিত জীবন বেশি সুখের হয়। কাজেই আপনিও চেষ্টা করুন পজিটিভ থাকতে। হাসি-খুশি থাকার সামান্য সুযোগও যেন মিস না হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ডেটিংয়ে যান। ক্যান্ডেল লাইট ডিনার, ক্লাবিং বা অন্য এমন কিছু, যা দু-জনেরই মনের কাছাকাছি। একসঙ্গে কাটানো ভালো সময়গুলির কথা মাঝে মাঝেই বলুন। ভবিষ্যত্‍ নিয়ে প্ল্যান করতে পারেন। ইন্টিমেট সম্পর্ক যতটা পরেন বজায় রাখুন। বিবাহিত সম্পর্ক ভালো রাখার ক্ষেত্রে এর বিরাট অবদান আছে। রাগ হলে তা নিয়ে কথা বলে নেওয়া সব সময়ই ভালো। তবে একটানা দীর্ঘ আলোচনা অনেক সময় সম্পর্কের মাধুর্য নষ্ট করে। সে রকম হলে তখনকার মতো ক্ষান্ত দিন। পর দিন সময় মতো আলোচনা করে নেবেন। 

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা