বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, ৭ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে শোকজ

news-image

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার পৃথক দুটি অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সাত কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

শোকজপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন—কসবার স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জুবায়ের মাহমুদ, ফরিদ আহম্মদ, নেপাল চন্দ্র দাস ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন এবং কসবা উপজেলার বাদৈর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের সহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. জিয়ার হোসাইন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন সহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. জিয়ার হোসাইন ও সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। এ ঘটনায় আব্দুল হালিম নামে এক বাসিন্দা গত ২ ফেব্রুয়ারি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ ও সংযুক্ত ছবি পর্যালোচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগটির কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে।

নোটিশে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির পরিপন্থী এবং নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টায় অনুসন্ধান কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে একতরফাভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির পরিচালক মাওলানা শিবলী নোমানী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জোবায়ের মাহমুদ, ফরিদ আহম্মেদ, নেপাল চন্দ্র দাস এবং স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।

ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে জানতে চেয়েছেন এ ধরনের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না। এ বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সাড়ে তিন মাস পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৬

নবীনগরে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানকে আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা

ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ, বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা

মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন

৩৫ হাজার টাকায় সিজার, কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু; উধাও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ

১২ হাজার ৫০০ টাকায় শ্রমিকের সংসার চলে কীভাবে? প্রশ্ন সাদিকের

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা

ভাঙ্গায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে কলেজছাত্রসহ নিহত ২

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নতুন আইন, মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

মাঠ দখলে দলবদলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের পর বিএনপির প্রভাব: নাহিদ

শ্রমিক আন্দোলনে স্কুলছাত্রের মৃত্যুর গুজব, সুস্থ আছে সামি