বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপায় অপরূপা

news-image

রূপার গয়না দেশীয়, ওয়েস্টার্ন এবং ফিউশন তিন ধরনের পোশাকের সঙ্গেই মানানসই। বিশেষ করে পোশাকে যদি রূপালি সুতোর কাজ থাকে তাহলে তো আরও ভালো লাগে। সবরকম উৎসবে রূপার গয়না চিরদিনই যেমন ফ্যাশনেবল তেমনি ঐতিহ্যবাহী।

পছন্দসই রূপার গয়নার জন্য চাঁদনীচক, নিউমার্কেট ও মৌচাক মার্কেটের রূপার দোকানগুলোতে যেতে পারেন। তবে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রূপার দোকান রয়েছে শাঁখারি বাজার বা তাঁতীবাজার এলাকায়। এখানে সোনার দোকানের পাশাপাশি শ’খানেক রূপার দোকান রয়েছে। এসব দোকানে রূপার নেকলেস, দুল, পাশা, চেইন, বালা, চুড়ি, পায়েল, হাতের ও পায়ের আংটি পাওয়া যায়। শিশুদের জন্য আছে ব্রেসলেট। আরও আছে রূপার সিঁদুরকৌটা, পানদান, আতরদান ও প্লেট, বাটি, চামচ, সুরমাদানি এবং নানা রকম শোপিস।

রূপার গয়নার দাম নির্ধারিত হয় ওজন অনুসারে। তার সঙ্গে যোগ হয় মজুরি। এই প্রতিবেদন করার সময় ভরি প্রতি রূপার দাম ছিল এক হাজার ৫০ টাকা। বিক্রি হচ্ছিল এক হাজার ১০৮ টাকায়। এই হিসেবে তাঁতীবাজারের দোকানগুলোতে মাঝারি আকারের কানের পাশা ও দুল পাবেন ২শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকায়। ক্যাটালগ দেখে নিজের পছন্দমাফিক বানিয়েও নিতে পারেন বিভিন্ন গয়না। তবে তাতে মজুরি বেশি পড়বে। গয়না কেনার আগে জেনে নিন রূপার মান সম্পর্কে। রূপার মানের তারতম্য রয়েছে। রূপা কতটা খাঁটি তার উপর দাম নির্ভর করে। ফাইন সিলভার ৯৯.৯ শতাংশ খাঁটি। তবে এটা বেশি নরম বলে কোনো গয়না তৈরি করা যায় না। গয়না বানাতে হলে রূপায় খাদ মেশাতে হয়। যে রূপা দিয়ে গয়না তৈরি হয় তাকে স্ট্যান্ডার্ড রূপা বা স্টার্লিং সিলভার বা চান্দি রূপা বলে। এতে ৯২.৫ শতাংশ রূপা এবং ৭.৫ শতাংশ তামা রয়েছে। মুদ্রা রূপায় রয়েছে ৯০ শতাংশ রূপা ও ১০ শতাংশ তামা। আরও রয়েছে জাঙ্ক সিলভার। জাঙ্ক সিলভার দিয়ে সাধারণত থালা, বাটি, চামচ ও অন্যান্য শোপিস তৈরি হয়। 
কথা হচ্ছিল তাঁতী বাজারে স্মৃতি জুয়েলার্সের প্রধান ধীমান বসাকের সঙ্গে।

তিনি বললেন, “আজকাল গোল্ড প্লেটেড রূপার গয়নার চাহিদা বেশি। বিভিন্ন ডিজাইনে রূপার গয়না তৈরি করে তা গোল্ড প্লেটেড করা হয়। দেখতে একেবারে সোনার গয়নার মতোই লাগে। গোল্ড প্লেটেড করাতে খরচ পড়ে গয়না প্রতি ১শ’ থেকে ২শ’ টাকা। রূপার গয়না পরিষ্কার করার কৌশল জানালেন, দোকান কর্মী সুজিত নন্দী। এখানে জানিয়ে রাখা ভালো, খাঁটি রূপা দীর্ঘদিন ব্যবহারে কালো হয়ে যায়। ডিটারজেন্ট পাউডার ভেজা ন্যাকড়ায় মাখিয়ে নিয়ে রূপার গয়নায় ঘষতে হয়। টুথব্রাশ দিয়েও এটি পরিষ্কার করা যায়। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই চকচকে হয়ে যায়। বেশি কালো হয়ে গেলে জুয়েলার্সে নিয়ে পালিশ করাতে হয়।
মিনা করা রূপার গয়না দেখতে বেশি ভালো। তাছাড়া রয়েছে বিভিন্ন রকম পাথর বসানো রূপার গয়না। রূপার সঙ্গে মুক্তা ও পুঁতি দিয়েও মালা তৈরি করাতে পারেন। মঙ্গলসূত্র ও অন্যান্য নেকলেসের সঙ্গে রূপালি টাসেল বা পুঁতির টাসেল ব্যবহার করা হয়। রূপার তৈরি খোঁপার কাঁটাও বেশ ফ্যাশনেবল গয়না। আর পায়েল তো সবসময়ই সাজে এনে দেয় ট্র্যাডিশনাল লুক।  

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা