বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিগগিরই বেসরকারিভাবে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়

news-image

জিটুজির পর এবার বেসরকারিভাবে (বিটুবি) বাংলাদেশ থেকে দ্রুতই ১৫ লাখ কর্মী নিতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার সরকার। সে দেশের তিনটি প্রদেশে প্রতি বছর পাঁচ লাখ করে শ্রমিক নেওয়ার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী ২৯ জুলাই বাংলাদেশে আসছে। মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতু মোস্তফার নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলটি এ দেশে দুই দিন সফর করবে। জিটুজির পাশাপাশি বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে প্রতিনিধিদলটি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সঙ্গে ৩০ জুলাই বৈঠক করবে বলে সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে বেসরকারিভাবে যে ১৫ লাখ শ্রমিক মালয়েশিয়া যাবে, তাদের তিন বছরের ভিসা দেওয়া হবে এবং পরে তারা এক বছর ভিসা নবায়ন করতে পারবে। রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর কথা থাকলেও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি সরাসরি মনিটরিং করবে। বিটুবিতে মালয়েশিয়ায় যাদের পাঠানো হবে তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন হবে ৯০০ রিংগিত বা সাড়ে ১৮ হাজার টাকা। যারা অনলাইনে নিবন্ধন করেছে, সেসব ডাটাবেজ থেকেই কর্মী নেওয়া হবে।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'চলতি মাসেই মালয়েশিয়া থেকে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে। তাদের সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আলোচনা হবে। আশা করছি, জিটুজির পাশাপাশি কম খরচে বেসরকারিভাবেও মালয়েশিয়ায় আমরা কর্মী পাঠাতে পারব। মন্ত্রী আরো বলেন, বৈধপথে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে পারলে অবৈধভাবে কেউ সমুদ্রপথে যেতে চাইবে না। বায়রার সিনিয়র সহসভাপতি আলী হায়দার চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আগামী ২৮ কিংবা ২৯ জুলাই মালয়েশিয়া থেকে উচ্চপর্যায়ের যে প্রতিনিধিদল আসছে, তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পাশাপাশি বায়রার সঙ্গেও বৈঠক হবে। বেসরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানো এখন সময়ের ব্যাপার। সাদমান ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বায়রার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন বাবুল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বৈধভাবে বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে কেউ মালয়েশিয়া যাবে না। তবে রিক্রুটিং এজেন্সির কোনো লোক যাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনোভাবে প্রতারণা করতে না পারে সেই বিষয়ে বায়রার পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার বাজার এখন উন্মুক্ত, সব সেক্টরেই তারা বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী। মালয়েশিয়ার সারওয়াক, সাবাসহ তিনটি অঞ্চলে ১৫ লাখ শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। জিটুজি পদ্ধতিতে শুধু প্লানটেশন খাতেই শ্রমিক নেওয়া হতো, এখন বেসরকারিভাবে সব খাতেই কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ায় সফরে গেলে সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদি এমন আগ্রহের কথা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জানায়। বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে নানা প্রচেষ্টায় ২০১২ সালে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা