,

২০০ কোটি ডলার ঋণে প্রকল্প রূপায়ণে ভারতের তাগিদ

news-image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে ঘোষিত ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার ঋণের অর্থে প্রকল্প রূপায়ণের তাগিদ দিয়েছে ভারত। তবে এ ঋণের সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরের সময় ১৩টি প্রকল্প নির্দিষ্ট করা হলেও পরে আরও দুটি প্রকল্পকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। নতুন দুটি প্রকল্প হলো, ঈশ্বরদীতে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো, বিলোনিয়া ও ফেনীর মধ্যকার ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ। ভারতের দেয়া নতুন ঋণের অর্থে  মোট ১৫টি প্রকল্প রূপায়িত হবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে তিনটি প্রকল্পকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। এ তিনটি প্রকল্প হলো সৈয়দপুরের রেলওয়ে ওয়ার্কশপকে কোচ ফ্যাক্টরিতে রূপান্তর, আশুগঞ্জ বন্দর থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি ও আশুগঞ্জে ইনল্যান্ড কনটেইনার টারমিনাল তৈরি। এ তিনটি প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে যথাক্রমে ৮৫ মিলিয়ন, ২৭৪ মিলিয়ন ও ৫৯.১ মিলিয়ন ডলার। প্রথম ১৩টি প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে ১.৮২ বিলিয়ন ডলার আর নতুন দুটি প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে ১৭৩.২ মিলিয়ন ডলার। তবে ভারতের দেয় ঋণ নিয়ে ভারতের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে এখনও বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় নি। তবে যে কোন দিনই তা স্বাক্ষর হতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। অন্য যে প্রকল্পগুলো ভারতের ঋণে সম্পন্ন হবে সেগুলো হলো বিআরটিসির জন্য বাস ও ট্রাক ক্রয়, সড়ক ও হাইওয়ে বিভাগের জন্য যন্ত্রপাতি ক্রয়, ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক তৈরি, বড়পুকুরিয়া ও কালিয়কৈরের মধ্যে বিদ্যুৎ সংবহন লাইন তৈরি, পার্বতীপুর ও কাওনিয়ার মধ্যে রেললাইন তৈরি, ৪৯টি পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের আধুনিকীকরণ, ৪টি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণ এবং ১টি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি প্রতিষ্ঠান তৈরি। এদিকে, বাংলাদেশে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্রিজ নির্মাণের জন্য ভারত ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ডলার অনুদানের পুরো অর্থই বাংলাদেশের হাতে তুলে দিয়েছে। ২০০১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় বাংলাদেশকে ভারত ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। পরে এ ঋণের ২০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানে পরিবর্তন করা হয়েছিল। অনুদানের ২০০ মিলিয়ন ডলার পদ্মা ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় করার জন্য ভারত অঙ্গীকার করেছিল। এর আগে দুই পর্যায়ে দেয়া হয়েছিল ১৫০ মিলিয়ন ডলার। শেষ ৫০ মিলিয়ন ডলার গত জুনেই বাংলাদেশের হাতে পৌঁছেছে। এটি রূপায়িত হলে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষিণাংশের জেলাগুলোর যোগাযোগ অনেক সহজ হবে। বাংলাদেশে এটিই হবে সর্ববৃহৎ ব্রিজ। ব্রিজের ওপর দিয়ে চলবে বাস, ট্রাক ও গাড়ি। আর নিচে থাকবে রেললাইন। 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ