,

দেড় কোটি টাকা নিয়ে ব্যাংকের এজেন্ট উধাও

news-image

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের নিকলীতে গ্রাহকদের দেড় কোটি টাকা নিয়ে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট আবুল কালাম আজাদ উধাও হয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চড়া সুদের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা জমা করতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তিনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য হওয়ায় নিশ্চিন্তে টাকা সঞ্চয় করেন অনেক গ্রাহক। শুধু তাই নয়, টাকা ফেরতের নাম করে গ্রাহকদের কাছ থেকে আগেই নিয়ে রেখেছিলেন টাকা জমার রসিদ। এতে একেকজন গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা গচ্চা গেলেও তারা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারছেন না। করতে পারছেন না মামলাও। এ অবস্থায় সহায়-সম্বল হারিয়ে পথে বসেছেন অনেকেই।

এজেন্ট আবুল কালাম আজাদ উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। টাকা আত্মসাৎ করে তিনি দুবাই পাড়ি দিয়েছেন বলে দাবি কয়েকজন গ্রাহকের।

এলাকার গ্রাহক রইছ উদ্দিন, মন্টু রায়, সিদ্দিক হোসেন ও রাধানাথ মল্লিক জানান, বছরখানেক আগে দামপাড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা খুলেছিলেন ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ। ১১ শতাংশ সুদের প্রলোভন দেখালে তারা সেখানে টাকা সঞ্চয় করেন। গত ১৯ জানুয়ারি লাভসহ টাকা ফেরত দেওয়ার তারিখ দিয়ে আবুল কালাম আজাদ উধাও হয়ে যান। ফেরতের নাম করে টাকা জমার সব রসিদও নিয়ে রেখেছিলেন। যে কারণে এখন মামলা করার মতো তথ্যপ্রমাণও তাদের হাতে নেই। সারাজীবনের সঞ্চয় হারিয়ে অনেকেই দিশেহারা।

তাদের দাবি, রইছ উদ্দিন ১০ লাখ, মন্টু রায় ১০ লাখ ৫০ হাজার, রাধানাথ মল্লিক ৬ লাখ, যমুনা খাতুন ৪ লাখ, সিদ্দিক হোসেন ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা রেখেছিলেন। অনেকে বিদেশ থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিবারের কাছে টাকা পাঠিয়েছিলেন। তাদের হিসাব অনুযায়ী, আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ দেড় কোটি টাকার বেশি।

দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, তিনিও লোকমুখে টাকা আত্মসাতের কথা শুনেছেন। কয়েক দিন ধরে আবুল কালাম আজাদের দেখা নেই। তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তাও জানাতে পারেননি চেয়ারম্যান।

ডাচ্‌-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ফরিদ হোসেন জানান, তারা অনুসন্ধান করে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন। এর বাইরে আরও টাকা আত্মসাৎ হয়ে থাকলে এর কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত ২২ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেছেন। আদালত নিকলী থানার ওসিকে এফআইআর করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আদেশের কাগজপত্র রোববারও থানায় যায়নি।

নিকলী থানার ওসি এস এম শাহাদাত হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলার কোনো নথি পাইনি। লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত বছরের মার্চে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার জিনারি বোর্ডবাজারে গ্রাহকের প্রায় ২০ কোটি টাকা নিয়ে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট মো. আলমগীর উধাও হয়েছিলেন। থানায় মামলাও হয়েছিল। অনেক দিন আত্মগোপনে থাকার পর টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আবার এলাকায় ফিরে আসেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না

আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের এই সিনেমা

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত