,

ব্যাংক চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক: ডলার নিয়ে কারসাজি রোধে হুঁশিয়ারি গভর্নরের

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেঁধে দেওয়া সীমার চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডলার কেনাবেচার অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার বেসরকারি খাতের ১০টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর একদিন পরই ডলার নিয়ে কারসাজি রোধে এসব ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের হুঁশিয়ারি দিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

তিনি জানিয়েছেন, আমদানিকারকদের কাছে ডলার বিক্রির ক্ষেত্রে কোনোরকম নিয়ম ভঙ্গ করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের নেতৃত্বে আট সদস্যদের প্রতিনিধিদল গভর্নরের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি ডলার কারসাজি রোধে সতর্কবার্তা দেন।

এসময় গভর্নর বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব, বাফেদার নির্ধারিত সীমার চেয়ে অতিরিক্ত দামে ডলার লেনদেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে ডলার পাচারসহ ব্যাংকগুলোর করপোরেট কালচারসহ যাবতীয় নীতিমালা মানার নির্দেশ দেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক জাগো নিউজকে বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেন বিএবি নেতারা। এসময় নজরুল ইসলাম মজুমদারে সঙ্গে সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফত ও পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমানসহ আটজন চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এমডি ছাড়া কেন ট্রেজারি বিভাগের প্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যিনি সরাসরি অপরাধ করেন নিয়ম অনুযায়ী তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পেছনে কে সে বিষয়ে পরে দেখা যাবে। এর আগে কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান ও এমডিকে কারণ দর্শানোর নোটি দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণার চেয়ে বেশি দামে আমদানিকারকের কাছে ডলার বিক্রি করায় বেসরকারি খাতের ১০টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে জরিমানা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বেশি দামে ডলার বিক্রির জন্য এসব ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানরা দায় এড়াতে পারেন না বলে ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠানো চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ট্রেজারি বিভাগ মূলত ব্যাংকের টাকা ও ডলারের চাহিদা-জোগানের বিষয়টি নিশ্চিত করে থাকে। কোনো কোনো ব্যাংকে ট্রেজারি বিভাগের প্রধান পদে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন।

সূত্র জানায়, নোটিশপ্রাপ্ত ১০টি ব্যাংক হলো- মার্কেন্টাইল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক। শাস্তির আওতায় আসা ব্যাংকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে।

একই অভিযোগে গত বছরের আগস্টে একসঙ্গে দেশি-বিদেশি ছয়টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এ জাতীয় আরও খবর

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না

আপেল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার আগে যা জানা জরুরি

ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের এই সিনেমা

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ-জ্বালানি সহায়তা নিয়ে যা বলল ভারত