বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে নিজের পক্ষে স্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনায় এরশাদের ক্ষোভ

news-image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদকে ইঙ্গিত করে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আমার ভুলে অন্য কারও ক্ষমা চাওয়ার অধিকার নেই। তিনি বলেন, এই সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ে একটি কথা বলেছিলাম। পরে আমি শব্দটি প্রত্যাহার করি। আমার বক্তব্যের পর বিরোধী দলীয় নেতা আমার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। এটা তার এখতিয়ার বর্হিভূত। এটা তিনি পারেন না। তার বক্তব্যে আমার বক্তব্য সংক্রান্ত যে শব্দগুলো আছে তা প্রত্যাহার করা হোক। সংসদে আজ পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

গত ৩০ জুন বাজেট পাসের আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে এরশাদ বলেছিলেন, নারীর ক্ষমতার কথা বলা হয়। আসলে নারীরা শো-পিস, এরা হলো শো-পিস। এরপর বাজেট বক্তব্য দিতে গিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ তার এই বক্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। স্পিকারের উদ্দেশে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি যে শব্দটি ব্যবহার করেছিলাম ‘আন-পার্লমেন্টারি’ না, তারপরেও আমি প্রত্যাহার করেছিলাম। এরপর কী এক্সপান্স করা যায়? এক্সপান্স করায় আমি মনে দুঃখ পেয়েছি। কিন্তু কিছু করার নেই। যেহেতু এক্সপান্স করা হয়েছে আমাকে দুঃখ নিয়েই মরতে হবে। এরশাদ বলেন, সেদিন আমি নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একটি শব্দ ব্যবহার করেছিলাম, যা নারী সদস্যরা প্রতিবাদ করেছিলেন। পরে আমি শব্দটি প্রত্যাহার করি। আমি বাজেট বক্তব্যে যে কথাটি বলতে চেয়েছিলাম, সেটা বলতে পারিনি, কারণ মাঝখানে এসে আমার একটি শব্দ সংসদে উপস্থিত মহিলা সদস্যরা পছন্দ করেননি। পছন্দ না করাতে আমি বলতে পারিনি। তিনি বলেন, আমরা নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলি। আমরা প্রায়ই বলি আমাদের জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারী। কিন্তু আমাদের নারীরা কী ক্ষমতা অর্ধেক ভোগ করেন? আমরা কী নারীর নিরাপত্তা দিতে পেরেছি? এখনো বৈষম্য রয়েছে। তারা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না। নারী শ্রমিকরা পুরুষের সমান কাজ করেও সমান পারিশ্রমিক পান না। নারীরা নির্যাতনের শিকার হয়, লাঞ্চনার শিকার হয়, পুলিশের কাছে বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করে। তিনি আরও বলেন, এই সংসদেই ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য রয়েছেন, তারা কি আমাদের সমান সুযোগ পান? পান না। আমরা যে বরাদ্দ পাই তারা তা পায় না। বিভাজন এখানেই। বিভাজন দূর করতে হলে এখান থেকেই করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ সকল নারী ও পুরুষ সদস্যরা হাসতে থাকেন। অনেক নারী সদস্য তার বক্তব্যে টেবিল চাপড়িয়ে অভিনন্দন জানান।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা