,

সরাইলে ড্রেজার গিলে খাচ্ছে কৃষি জমি : উপজেলা সদরে কৃষকদের বিক্ষোভ

news-image

স্টাফ রিপোর্টার সরাইল :  সরাইলের তিতাস নদী থেকে বালু উত্তোলনের নামে ড্রেজার দিয়ে কৃষি জমি গিলে খাওয়ার অভিযোগ করছে স্থানীয় কৃষকরা। শেষ সম্বল নিজেদের জমি বাঁচিয়ে জীবন রক্ষার দাবিতে গতকাল দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাহবাজপুর ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের কয়েক’শ কৃষক। তারা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করে নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। দুপুর ১টার দিকে কৃষকরা পিকআপ ভ্যানে চড়ে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে উপজেলা সদরে প্রবেশ করে। গ্রামবাসী ও কৃষকরা জানায়, তিতাস নদীর উত্তর পাড়ে রয়েছে তাদের সহস্রাধিক বিঘা কৃষি জমি। অধিকাংশ জমির মালিক ধীতপুর গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কৃষকরা। ২০০১ সাল থেকে এ নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে বাণিজ্য করে আসছেন গ্রামের মহিউদ্দিন নামের এক প্রভাবশালী লোক। ক্ষমতাসীন লোকদের তদবিরে রফাদফার মাধ্যমে ২০১৩ সাল থেকে বালু উত্তোলনের জন্য বৈধ ভাবে নদীর নির্দিষ্ট জায়গা ইজারা দেওয়া শুরু করেন জেলা প্রশাসন। গত চার বছর ধরে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত ধীতপুর এলাকায় তিতাস নদীর বালু মহাল এক সনা ইজারা নিচ্ছে একটি মহল। এ বছর নদীতে ৪০৪৭ দাগের ২০ একর জায়গা জুড়ে সরকার বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা দিয়েছে। ইজারাদাররা  বালু তোলার নামে ড্রেজার দিয়ে নির্বিচারে কৃষি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে। এক সময় কৃষি জমি হয়ে যাচ্ছে নদীর অংশ। এভাবে ইতি মধ্যে ধীতপুর এলাকার তিন শতাধিক কানি কৃষি জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে এলাকার কৃষকরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেও কোনো ফল পাচ্ছে না। তাই গতকাল রোববার দুপুর দুইটার দিকে ধীতপুর গ্রামের কয়েকশ কৃষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে বালু তোলার নামে কৃষি জমি ধ্বংস করা বন্ধের দাবি জানান। কৃষকরা অভিযোগ করেন তাদের তিন ফসলি জমি ধ্বংস করা হচ্ছে। বাধা দিলে প্রভাবশালী ইজারাদার তাদেরকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এমনকি ডাকাতি মামলা দায়ের করে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে। রতন চন্দ্র দাস ও লিটন চন্দ্র দাস কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন,‘আমাদের সব শেষ হইয়া যাইতেছে। বালু তোলার নামে আমাদের ভাত কাইড়া নিচ্ছে। আমরা বাঁচতে চাই। আমরা নিরীহ, তাই আমাদের দাবি কেউ মানছে না। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শের আলম মিয়া বলেন, জনগনের জন্যই সরকার। নিরীহ অসহায় দরিদ্র কৃষকদের বাঁচানো সকলের দায়িত্ব। গুটিকয়েক লোকের লাভের জন্য শত শত কৃষকের পেটের ভাত কেড়ে নেওয়া যাবে না। তাদের এ দাবি আদায়ের আন্দোলনের সাথে আমি ও আছি। প্রয়োজনে রাস্তায় নামব। ইউএনও মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন,‘বালু মহালের এলাকা চিহ্নিত করা আছে। ইজারাদার যদি জনগণের ক্ষতি সাধন করে তাহলে অবশ্যই এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’  
 

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ