,

সরাইলের প্রধান সড়কে হাঁটু পানি : জন দূর্ভোগ চরমে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরাইল সদরের হাসপাতাল মোড় থেকে বেপারি পাড়া সেতু পর্যন্ত এক কিলোমিটারের কম। সড়কটির সর্বত্রই খানা খন্দে ভরা। আর মাঝখানে দুই জায়গায় ২৪ ঘন্টাই থাকে হাঁটু পানি। বিকাল বাজার ও সকাল বাজার এলাকায় কাঁদায় একাকার। তাই জন দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। এ গুলো দেখার যেন কেউ নেই। সরজমিনে দেখা যায়, কোথাও উঁচু কোথাও নিচু পুরো খানা খন্দে ভরা সড়কটিতে স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই বাড়ছে দূর্ঘটনা। সরকারি অন্নদা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোড় ও বকুল গাছের তলায় ২৪ ঘন্টাই লেগে থাকে হাঁটু পানি। দেখলে মনে হয় সড়ক নয় এ যেন কোন খাল বা নদী। এ ছাড়া সড়কের বাকি অংশে ২-৩ ইঞ্চি পুরো কাঁদার স্তর। পায়ে হেঁেটে চলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। অরুয়াইল পাকশিমুল ও চুন্টা ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক লোক এ সড়ক দিয়ে রাজধানী জেলা শহর ও উপজেলায় যাতায়ত করছে। এ ছাড়া বাকী ছয় ইউনিয়নের কয়েক লক্ষ লোক নিত্যদিন শুধু এ সড়কটি দিয়ে সরাইল উপজেলা সদরে আসছে তাদের প্রয়োজনে। ঈদকে সামনে রেখে উপজেলা সদরে প্রতিদিন বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা। কাঁদা পানি ঠেলেই তাদেরকে এ সড়ক দিয়ে যাতায়ত করতে হচ্ছে। যখন তখন গাড়ির ছিটকে যাওয়া পানিতে পড়নের কাপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মসজিদের মুসল্লি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের। পুরাতন রিক্সা ষ্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক তলিয়ে ৮-১০টি দোকানের ভিতরে নিয়মিতই প্রবেশ করছে পানি। ফলে দিন দিন ক্রেতা শুন্য হয়ে পড়ছে দোকান গুলো। ব্যবসা গুটিয়ে ফেলার চিন্তা করছেন অনেক দোকানি। তিন বছর আগে সড়কের এক পাশে একটি ড্রেন করা হয়েছিল সরকারি খরচে। এটি এখন ময়লা আবর্জনা ফেলে সমান। এটির কোন সংস্কার বা পরিচর্যা নেই। পথচারিরা ওই ড্রেনে নিমজ্জিত হচ্ছেন হরহামেশা। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পথচারিরা। একাধিক ব্যবসায়ি, সিএনজি অটোরিক্সা চালক ও স্থানীয় লোকজন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশা। আমারা সীমাহীন কষ্টে আছি। এ গুলো দেখার কি কেউ নেই। সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আইয়ুব খান ক্ষোভের সাথে বলেন, এ সমস্যা দেখার মত কোন অভিভাবক আমাদের আছে বলে হয় না। আমার ১২’শ ছাত্রী, অন্য সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধ লোকজনের কি যে কষ্ট স্বচোক্ষে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না। দ্রুত এ দূরাবস্থার অবসান চাই। সরাইল উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন, বৃষ্টিটা কমলেই এ সড়কের কাজ শুরু হবে। সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, এখানকার পানি দ্রুত সরানোর জন্য বিকাল বাজারে প্রবেশের সড়কের পাশে একটি ড্রেনের কাজ করাচ্ছি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান বলেন, অরুয়াইল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। অচিরেই এখানে কাজ করে স্থায়ী ভাবে সমস্যার সমাধান করা হবে।  

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ