বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনন্দে ভাসছে দেশ

news-image

সংযমের মাস হলেও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের আনন্দ যেন ভেঙে দিয়েছে সব বাঁধ। দেশজুড়ে তাই খুশির মিছিল, উৎসবের আবহ।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয়ের পর দেশজুড়ে জেগেছিল খুশির ঢেউ। পাড়া-মহল্লা থেকে বেরিয়েছিল আনন্দ মিছিল, টিএসসি চত্বর মধ্যরাতেও পরিণত হয়েছিল লাল-সবুজের সমুদ্রে। গতকালও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবারের ঢেউয়ের উত্স সুদূর ক্যারিবিয়ান নয়, বরং মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট। এমনিতে দিবা-রাত্রির খেলা শেষ হতে হতে ফাঁকা হয়ে পড়ে গ্যালারি, বাড়ি যাদের দূরে তাদের অনেকেই ধরে ফিরতি পথ। কিন্তু কাল বিজয়-মুহূর্ত পর্যন্ত গ্যালারির বেশির ভাগটাই ছিল ভরা। থেকে থেকে শোনা যাচ্ছিল আনন্দের হর্ষধ্বনি, উল্লাসের সুতীব্র চিত্কার; যার একটাই সুর- 'মওকা মওকা'। ২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার করা এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পরাবাস্তবতার জগতে। খেলাধুলায় প্রতিশোধের ব্যাপারটা না থাকলেও 'মওকা' বুঝে সেই 'মওকা মওকা'র জবাবটা যেন মাঠেই ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশের দর্শকরা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার নিতে যখন একে একে নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানরা আসছিলেন, তখনো উল্লাসে উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। বাঘের রং গায়ে মাখা শোয়েব আলী আর মিলনের সুতীব্র চিৎকারে 'বাংলাদেশ বাংলাদেশ' শব্দটাকে শোনায় মধুরতম সংগীতের মতোই! তাদের হাতে ধরা জাতীয় পতাকাটা যেন আবারও দোলা দিয়ে যায় দেশাত্মবোধের চেতনাকে।
বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা বাসে করে বের হতে হতে বেজে যায় রাত সাড়ে ১২টা। খেলোয়াড়দের অভিবাদন জানাতে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের বাইরে তখনো ক্রিকেট অনুরাগীদের ভিড়। 'শাবাশ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ' ধ্বনিতে তারা রাতের নীরবতাকে খানখান করে ভেঙে দিচ্ছিল মুহূর্তে মুহূর্তে। এ ছাড়া বেরিয়ে পড়ে বাইসাইকেলচালকদের কয়েকটি গ্রুপ। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে, বাংলাদেশের পতাকা পিঠে বা মাথায় বেঁধে, সাইকেলের বেল বাজিয়ে আর হর্ষধ্বনিতে আনন্দ-উল্লাসে তারা শহর প্রদক্ষিণ করে। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায়ও চলে আনন্দ উদ্‌যাপন। শহরজুড়ে এক আনন্দের ঢেউয়ে মাতোয়ারা সবাই। শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশজুড়েই চলেছে এই 'মওকা মওকা' উত্সব। সিলেটেও মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল শোভাযাত্রা হয়েছে, উল্লাসের ভাষা একটাই, 'মওকা মওকা'। এই দুটি শব্দে যেন ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে খাটো করে দেখারই প্রতু্যত্তর! সাতক্ষীরায় উৎসবের রংটা তো আরো গাঢ়। ম্যাচসেরা ও ইতিহাস গড়া মুস্তাফিজ যে সাতক্ষীরারই সন্তান। 
তাইতো সাতক্ষীরার ছেলে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ক্রিকেটপ্রেমীর সুন্দরবনের খুব কাছের জেলা সাতক্ষীরা। বনঘেঁষা এই জেলার বেশ কিছু লোকালয়ে মাঝেমাধ্যেই ঢুকে পড়ে বাঘ। এ রকম একটা বাঘই হয়তো মানুষের বেশ ধরে চলে এসেছে ক্রিকেট দলে!

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা