,

গবেষণা পরিচালিত হয় যেভাবে (ভিডিও)

news-image

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা শিক্ষকদের কেউ কেউ মনে করেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার মূল সংকট হলো বাজেট। তবে এতে ভিন্ন মতও রয়েছে।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, অস্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনের প্রয়োগ না থাকায় মান কমছে গবেষণার। এজন্য প্রতিষ্ঠান ও তত্তাবধায়ক শিক্ষকদের দায়ী করে জবাবদিহীতা বাড়ানোর দাবি তাদের।
ফারজানা আক্তার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকতর শেষে উচ্চ গবেষণায় ভর্তি হয়েছেন নিজ বিভাগেই। তার মতে গবেষণার জন্য  গবেষককে যে পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয় তা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। এছাড়াও সংকট রয়েছে গবেষণাঘার ও যন্ত্রপাতির।
এব্যাপারে ফারজানা আক্তার বলেন, আমাদেরকে যদি রাষ্ট্রীয় বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আর্থিকভাবে সহযোগিতা করত তবে আমরা কাজগুলো আরো ভালো বা সুষ্ঠুভাবে করতে পারতাম। আর সবচেয়ে আমরা ৩য় যে সমস্যার মুখমুখি হচ্ছি সেটা হলো আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব।
 
বিইউজিসির তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় গবেষণার জন্য  একজনকে দেওয়া হয় গড়ে ৭০থেকে ৮০ হাজার টাকা। কোথাও কোথাও এর পরিমাণ আরো কম। ফলে অনেকেই গবেষণায় খুব একটা মনযোগী হন না।
এবিষয়ে অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ থেকে অথবা রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক ও যন্ত্রপাতি এনে আমাদের যদি সহোযোগিতা করা হয় তবে আমার ধরণা সার্বিক বৈজ্ঞানিকের যে অবস্থামানের শিক্ষা ব্যবস্থা বা উচ্চমানের শিক্ষার ক্ষেত্রে যে দৈন্যতা যাচ্ছে তা কাটিয়ে উঠতে পারবো।
আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যে সমঝোতা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তহবিল উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রকল্প ‘হেকেপ’সহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হয় গবেষণা কাজ। এরপরও সংকট রয়েছে এমন দাবি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ সম আরেফিন সিদ্দিক বলেন,  পুরো প্রতি বছর আমরা আমাদের বাজেট বাড়াচ্ছি। সরকারের গুরুত্ব বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের মাধম্যে সরকাররে কাছ থেকে আমরা যে বাজেট পাই সেটা উল্লেখযোগ্য হারে আমরা বাড়াচ্ছি। তারপরও এটা যে পর্যাপ্ত  তা নয়।
সংশ্লিষ্টদের অনেকেই যখন অর্থের সংকটকে মানহীন গবেষণার জন্য দায়ি করছেন তখন শিক্ষাবিদরা বলছেন একটু অন্যভাবে। তাদের মতে শিক্ষকদের সঠিক তত্তাবধায়ন ও জবাবদিহীতাই পারে গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে। এবিষয়ে কথা হয় শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে।
তিনি বলেন, তত্তাবধায়ক দেখবেন এই যে প্রভিসন্দর বিষয়টি রচনা করা হচ্ছে তা যোগ্যমানের করা হচ্ছে কিনা। তাই তাকেই দেখতে হবে। আর সেজন্য তাদেরকেই দায়িত্ব সিতে হবে। তাছাড়া তিনি যদি ঠিক হন, তিনি যদি যকি-তাকে না নেন, দায়িত্ব না দেন এবং অনুমোদন না দেন  তবেই গবেষণার মান উন্নয়ন হবে।
একই সাথে শিক্ষার মানও বাড়াতে হবে বলে জানালেন এই  শিক্ষাবিদ। চ্যানেল ২৪

https://youtu.be/tytkk2qbHrc

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ