বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন হয় না : তারেক রহমান

news-image

দেশের মানুষের  যেখানে নিরাপত্তা নেই  সেখানে একটি পরিবারের জন্য বিশেষ আইন করে বিশেষ নিরাপত্তা ক্ষমতার অপব্যবহার ছাড়া কিছুই নয়। তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন কারণ তাদের সঙ্গে জনগণ  নেই। এ ধরণের আইন প্রমাণ করে এই পরিবারটি এখন জনবিচ্ছিন্ন। জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে বিশেষ নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজন হয়না। সম্প্রতি জনগণের  ভোাটাধিকার প্রতিষ্ঠায় জনগণের সঙ্গে মিশে গিয়ে  বেগম খালেদা জিয়া এটি প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশের ধর্মীয় পারিবারিক ঐতিহ্যে পুত্র সন্তান  দিয়ে  উত্তরাধিকার বিবেচনা করা হয়।  সেই হিসাবে  শেখ মুজিবের পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তার নামে এখন ডক্টর ওয়াজেদের পরিবার বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় আসতে পারেন কি না এটি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। গত ২ জুন  সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই সব কথা বলেন।

বার্তা সংস্থা ওএনবি লন্ডন থেকে জানায়, তারেক রহমান বলেন,  শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ চল্লিশ-পয়তাল্লিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী হওয়া স্বত্ত্বেও জিয়াউর রহমানের মাত্র চার-পাঁচ বছরের রাজনৈতিক জীবনের সাফল্যের কাছে  শেখ মুজিবের ভূমিকা ম্লান। শহীদ জিয়াউর রহমান একবার  শেখ মুজিবকে এবং একবার আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান নিজেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা  দেন। পরদিন ২৭ মার্চ পুনরায় স্বাধীনতার  ঘোষণায় অন বিহাফ অব  শেখ মুজিব উল্লেখ করেন। আওয়ামী লীগ এখন মুক্তিযুদ্ধে  শেখ মুজিবের ভূমিকার কথা প্রমাণ করতে গিয়ে জিয়াউর রহমানের দ্বিতীয়বারের স্বাধীনতার ঘোষণাটি উদ্ধৃত করেন। বাস্তবতা হলো, জিয়াউর রহমানের মুখে সেই সময় শেখ মুজিবের নামটি উচ্চারিত না হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে  শেখ মুজিবের নামটি খুঁজে পাওয়া  যেতনা।

ওএনবি আরো জানায়, শেখ মুজিবের নিষিদ্ধ  ঘোষিত আওয়ামী লীগ এখন নিজ নামে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছে  সেটিও জিয়াউর রহমানের বদান্যতায়। কারণ জিয়াউর রহমানের উপর রাষ্ট্র ক্ষমতা ন্যাস্ত হলে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।  সেই সুযোগে বাকশালের পরিবর্তে আওয়ামী লীগ নিজ নামে রাজনীতি করার সুযোগ  চেয়ে আবেদন করে। ১৯৭৬ সালের ৪ নভেম্বর পুনরায় তারা আওয়ামী লীগের নামে রাজনীতি শুরু করে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন,  শেখ মুজিব  যেখানে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বটমলেস বাস্কেট হিসাবে পরিচিত করিয়েছে  সেখানে জিয়াউর রহমান  তোর অল্প কয়েকদিনের শাসনকালেই  দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশেও খাদ্য রপ্তানী করেছিলেন। শেখ মুজিবের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা চালু করেছিলেন। বিদেশে জনশক্তি এবং গার্মেণ্টস সামগ্রী রপ্তানিও জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই হয়েছিলো।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : এটি তারেক রহমানের বক্তব্য নির্ভর প্রতিবেদন। এর কোন বক্তব্য আমাদের সময় ডটকমের নয়।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা