বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দেনার দায়ে জর্জরিত আশুগঞ্জের লাকড়ির মিল মালিকরা

news-image

মেহেদী হাসান মিলন : ধানের তুষকে আগুনে পুড়িয়ে পক্রিয়াজাত করে তৈরী হয় লাকড়ি। ২০০০ সালের প্রথম দিকে আশুগঞ্জে শুরু হয় লাকড়ির মিলের ব্যবসা। ধীরে ধীরে এখন শতাধিক মিল গড়ে উঠেছে। আর এ মিলে কর্মরত রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক। প্রায় ১০ বছর ধরে তাদের দিনকাল ভালো গেলেও গত কয়েক বছর ধরে এ ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছে। আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের অসাধু কিছু কর্মকর্তার ঘাফলতিতে গত কয়েক বছর ধরে প্রতি মাসে তাদের প্রায় মিলেই বিদ্যুৎ বিল আসছে অতিরিক্ত। অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসে গেলে আগামী মাসে বিল কমিয়ে দেওয়া হবে জানিয়ে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। কিন্তু মাসের পর মাস গেলেও বিদ্যুৎ বিল আর কমিয়ে দেয়া হয়না। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশ্বি তাদের দিতে হচ্ছে হাজার হাজার টাকা সুদ। এতে করে অতিরিক্ত বিল পরিশোধ না করায় বিপুল পরিমান বিল আটকে আছে মিলারদের ঘারে। তাই ব্যবসা মন্দা থাকায় অনেক মিলারই এখন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারছে না। আর বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে প্রতি মাসেই বিল পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে। বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে বিদ্যুতের লাইন। বেশ কয়েকদিন ধরে বকেয়া বিলের অভিযোগে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে বিভিন্ন মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ শুরু হয়েছে। উপায় না পেয়ে লাকড়ির মিল মালিক সমিতির লোকজন গতকাল শনিবার সকালে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এর সমাধান চান এবং বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের দাবি জানান। দ্রুত এ অচলাবস্থার সমাধানের জন্য লিখিত ভাবে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগ করেন।
আশুগঞ্জ লাকড়ির মিল মালিক সমিতির সভাপতি খুরশিদ মিয়া জানান, গত কয়েক বছর যাবত প্রায় মিলেই বিদ্যুৎ বিভাগ তাদের ইচ্ছে মতো অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক বারই আমরা বিদ্যুৎ কতৃর্পক্ষের সাথে কথা বলেছি। এ অবস্থার কোন প্রতিকার না হওয়ায় কিস্তিতে বিল পরিশোধের দাবি জানিয়েছি আমরা। এ সমস্যা সমাধান না হলে আগামীতে আমরা সকল মিল বন্ধ রাখতে বাদ্ধ হবো।
আশুগঞ্জ লাকড়ির মিল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক জুবায়ের হায়দার বুলু জানান, কিছু অসাধ্য কর্মকর্তা ঘাফলতির কারণে প্রায় মিলেই অতিরিক্ত বিল প্রদান করা হয়েছে। এখন প্রায় মিলারই লাখ লাখ টাকার বিল মাথায় নিয়ে ঘুরছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। মাসের মাঝা মাঝি সময়ে আমাদের মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়ায় মিল মালিকদের ব্যাপক লোকসান হচ্ছে।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী চন্দন কুমার সূত্রধর জানান, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের যে সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। তবে বর্তমানের মিলারদের কাছে প্রায় কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে।

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা