বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় গরু সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ, গোশতের দাম বেড়েই চলছে

cowভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নির্দেশের পর বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধের ফলে স্থানীয় বাজারে গোশতের দাম অকস্মাৎ বেড়ে গেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি গরুর গোশতের দাম বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। গতকালও রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচা বাজারে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে ক্রেতারা দেশি গরুর গোশতের ওপর ভরসা করে বলছেন, দাম না বাড়ালেও চলতো।

জানা গেছে, এতদিন ভারত থেকে উত্তরাঞ্চলের ৮টি করিডোর দিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষ দেশের বিভিন্ন জেলায় চলে যেত, এখন তা পারছে না। দেশি গরু দিয়েই গোশতের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে। গরুর গোশতের দাম বাড়ার কারণে ছাগল, ভেড়া ও মুরগির গোশতের দামও বেড়েছে। ফলে গরিব ও স্বল্প আয়ের মানুষ গোশত কিনতে সংকটে পড়ছেন।

বাংলাদেশ মিট মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতা সবুজ মিয়া জানান, ভারত গরু পাচার বন্ধের পর আমাদের গরুর গোশতের দাম বাড়াতে হয়েছে। কারণ দেশি গরুতে আমাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ভারতের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, তারা আর গরু পাচার করবেন না। এখন থেকে ফ্রিজিং করা গোশত সরবরাহ করবে তারা। ইতোমধ্যে কয়েকটি কোম্পানি ভারত থেকে ফ্রিজিং করা গোশত আমাদানি শুরু করেছে। এদের মধ্যে হালাল মিট ও বাংলাদেশ মিট অন্যতম। এতে দেশের হাজার হাজার গরুর গোশত বিক্রেতার পথে বসার আশঙ্কা দেখা দেবে। দাম বাড়লেও ক্রেতা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু গরুর সরবরাহ না থাকলে এসব ব্যবসায়ী কোথায় যাবেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

গত ২ মার্চ বাংলাদেশে যাতে ভারতীয় গরু ঢুকতে না পারে সেজন্য ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বিএসএফকে সেভাবে নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেন। এরপর থেকেই গরু সরবরাহ বন্ধ হয়ে দাম বেড়েছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ।

রাজনাথ সিং বলেন, শুনেছি সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের কঠোর নজরদারির কারণে বাংলাদেশে গরু পাচার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে গরুর গোশতের দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে। নজরদারি আরও জোরদার করবেন যাতে গরু পাচার বন্ধ হয়ে যায় এবং বাংলাদেশে গরুর গোশতের দাম ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বেড়ে যায়, যাতে সেখানকার মানুষ গরুর গোশত খাওয়া ছেড়ে দেয়।

রাজনাথ সিং আরও জানান, সীমান্তে গরু, মাদক ও জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচার বন্ধে সরকার ২-৩ মাস আগে একটি কমিটি করেছে। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করে কীভাবে গরু, মাদক ও জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচার বন্ধ করা যায় সে বিষয়ে আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা ভারতে গরু জবাই যাতে নিষিদ্ধ করা যায়, সে জন্য এনডিএ সরকার সম্ভব সব কিছুই করবে। তিনি বলেন, এ দেশে গরু জবাই মেনে নেওয়া যায় না। তবে বাংলাদেশের সাথে ভারতের আন্তরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এ সম্পর্ক ভারত সরকার আরও বাড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন রাজনাথ সিং।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা