রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাত্রী দেখে বকশিশ দেওয়া জরুরি কিছু নয়

news-image

সমাজে বহুল প্রচলিত একটি রেওয়াজ হলো পাত্রী দেখে বকশিশ দেওয়া। বিয়ের আগে ছেলে বা ছেলে পক্ষের লোকজন মেয়েকে দেখে টাকা, আংটি ইত্যাদি বকশিশ দিয়ে থাকেন।

বকশিশের টাকার পরিমাণের ক্ষেত্রেও একটি প্রচলন রয়েছে। সাধারণত নিম্নবিত্ত হলে ৫০০, মধ্যবিত্ত হলে ১ হাজার, উচ্চবিত্ত হলে দেড় বা ২ কিংবা তার চেয়েও বেশি হয়ে থাকে। এর সঙ্গে অনেকে আবার ভাঙতি ১ টাকা সম্পৃক্ত করে ৫০১, ১ হাজার ১ বা ২ হাজার ১ টাকা দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় আরও একটি বিষয় হলো মেয়ে পছন্দ হলে যে পরিমাণ টাকা দেওয়া হয়, পছন্দ না হলে এর অর্ধেক বা নামমাত্র কিছু দিয়ে কেটে পড়া হয়। বুদ্ধিমান মেয়ে বা তার পরিবার এ থেকেই বুঝে নিতে পারে ছেলে পক্ষ তাকে পছন্দ করল কি না!

তবে এ বিষয়টি স্পষ্ট হলো যে পছন্দ হোক বা না হোক কমবেশি বকশিশ সবাই দিয়ে থাকেন। ব্যাপারটি ছেলেদের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। মেয়ে পক্ষের লোকজন ছেলে দেখে নিজেদের মতো করে বকশিশ দিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে ইসলামের বক্তব্য হলো, বিয়ের আগে মেয়ে দেখে বকশিশ বা হাদিয়াস্বরূপ টাকা বা অন্য কিছু দেওয়া জরুরি কিছু নয়।

তাই পূর্ণ সন্তুষ্ট চিত্তে, আবশ্যক মনে না করে এবং তিরস্কারের ভয় না থাকলে মেয়ে অথবা ছেলে দেখে তাকে বকশিশ বা হাদিয়া দিতে কোনো সমস্যা নেই। (বায়হাকি : ৮/১৮২; তিরমিজি : ৪/৪৪১; কিতাবুল ফাতাওয়া : ৪/৪২২)

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাবে ইসি

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জেলা-উপজেলায় হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’

প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ