,

ব্রাজিলের কুতিনহো নিচ্ছেন পর্তুগিজ নাগরিকত্ব

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : লুইস সুয়ারেজের পথ অনুসরণ করে লিভারপুল থেকে শুধু বার্সেলোনায় আসেননি, কুতিনহো আরও একটি ক্ষেত্রে অনুসরণ করতে চলেছেন সতীর্থকে। সুয়ারেজের মতো তিনিও ইউরোপীয় কোনো দেশের নাগরিকত্ব নিতে যাচ্ছেন। পর্তুগালের নাগরিক হতে চান ব্রাজিলের এই তারকা

দাপ্তরিক প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করেছিলেন। তা হয়নি। তবে শিগগিরই পর্তুগিজ নাগরিক হয়ে যাচ্ছেন ফিলিপে কুতিনহো। ব্রাজিল আর পর্তুগালের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। উপনিবেশ থাকার কারণে ব্রাজিলের ভাষাটাও পর্তুগিজ। দুই দেশের ফুটবলের সম্পর্কেও আছে দীর্ঘ ইতিহাস। পর্তুগাল ফুটবল দলকে তো ইউরোপের ব্রাজিলই বলে। তবে কুতিনহোর পর্তুগিজ নাগরিক হয়ে যাওয়ার পেছনে এসব ঐতিহাসিক কোনো প্রেক্ষাপট প্রভাবক হিসেবে কাজ করেনি।

ঝামেলাটা বেধেছে স্প্যানিশ ফুটবলের নিয়মে। মৌসুম শুরুর আগে পুরো স্কোয়াডের নিবন্ধন করাতে হয়। আর সেখানে মাত্র তিনজন অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড় থাকতে পারেন। বার্সেলোনা এ বছরই ব্রাজিলের তিনজন খেলোয়াড় কিনেছে। জানুয়ারির শীতকালীন দলবদলে কিনেছে কুতিনহোকে। এবার গ্রীষ্মকালীন দলবদলে কিনল ম্যালকম ও আর্থারকে। জানুয়ারিতে বার্সা কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনাকেও কিনেছিল। সর্বশেষ কিনল চিলির মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদালকে।

বার্সেলোনা প্রাক্‌-মৌসুমের শুরুতে বিভিন্ন ক্লাবে ধারে খেলতে থাকা তাদের খেলোয়াড়দের অনেককেও ডেকে পাঠিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে তিনজনই ব্রাজিলিয়ান নাগরিক। মারলন সান্তোস, ডগলাস ও রাফিনহা। ডগলাসকে এরই মধ্যে আবার ধারে খেলতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তুরস্কের একটি ক্লাবে। ধারে পাউলিনহোকেও চীনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি।

এই মুহূর্তে বার্সার স্কোয়াডে অন্তত সাতজন আছে অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড়, যাঁদের চারজনকে স্কোয়াডে রাখার কোনো সুযোগ নেই। সান্তোস, রাফিনহাকেও ছেড়ে দিতে হচ্ছে বার্সাকে। গত বিশ্বকাপে তিন গোল করে আলো ছড়ানো ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনাও বার্সা ছাড়ছেন, তা প্রায় নিশ্চিত। বাকি রইলেন কুতিনহো, ম্যালকম, আর্থার ও ভিদাল। বার্সা এই চারজনকেই এবারের মৌসুমে চায়। এই সমস্যার সমাধান করতেই কুতিনহোকে পর্তুগিজ নাগরিকত্ব নিতে হচ্ছে।

কুতিনহো আবেদনও করেছেন। কুতিনহোর স্ত্রী এইনি পর্তুগিজ নাগরিক। তাঁদের বিয়ের তিন বছরও হয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী কুতিনহো পর্তুগালের নাগরিকত্ব নিতে পারেন। এর আগে লিভারপুল থেকেই বার্সেলোনায় আসা লুইস সুয়ারেজ একই কাজ করেছিলেন। ইতালিয়ান স্ত্রীর সৌজন্যে সুয়ারেজের ইতালির নাগরিকত্বও আছে। কুতিনহোও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিতে চলেছেন।

কিন্তু এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি। যদিও বার্সা প্রত্যাশা করেছিল মৌসুম শুরুর আগেই তা হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত যা খবর, তাতে স্প্যানিশ সুপার কাপের আগে কুতিনহোর নাগরিকত্বের কাগজপত্র বার্সেলোনার হাতে আসার সুযোগ কম।

তবে ব্রাজিল সমর্থকদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। কুতিনহো ব্রাজিল দলকে ছেড়ে যাচ্ছেন না। সুয়ারেজ যেমন উরুগুয়েকে বিদায় বলেননি। লিওনেল মেসি শৈশবেই স্পেনের নাগরিকত্ব পেয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে স্পেনের বয়সভিত্তিক দলে খেলানোর চেষ্টাও করেছিল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। সে সময় মেসি জাতীয় দল হিসেবে আর্জেন্টিনাকেই বেছে নেন। এখন অবশ্য অনেকে বলেন, স্পেনের হয়ে খেললেই মেসি ভালো করতেন। জাতীয় দলের হয়ে শিরোপা খরায় তো আর ভুগতে হতো না!

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ