,

দূর্নীতি ও অনিয়মের আখড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণপূর্ত বিভাগ

gono pppppppppppনিজস্ব প্রতিবেক : কথিত ভুল দাবী করে দেড় কোটি টাকার কাজ দেয়া হয়েছে পছন্দের ঠিাকাদারকে । সরকারী নিয়ম কানুন নয়। নিজেদের মনগড়া মত চলছে গনপূর্ত বিভাগ। অনিয়ম আর জাল জালিয়াতি চলছে এখানে। সর্বশেষ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে এক কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার কাজ প্রদান করেছে পছন্দের ঠিকাদারকে। এ ঘটনায় ঠিকাদারদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার আদ্যপন্ত তদন্তের দাবী করেছে ক্ষতিগ্রস্থ ঠিকাদাররা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর গণপুর্ত বিভাগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনের ৩’শ ফোর্সের ব্যারাক ভবনের চর্তুথ তলার নির্মান কাজের দরপত্র আহবান করে। এতে সিভিল কাজ, সেনিটারী, বৈদ্যুতিক ও পয়ঃপ্রণালীসহ বিভিন্ন কাজ রয়েছে। ৩১টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিডিউল সংগ্রহ করে। ২৪ সেপ্টেম্বর সিডিউল দাখিলের শেষ দিন। ১০টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। দরপত্রে মেসার্স হক এন্টার প্রাইজ’র ব্যাংক সলভেন্সি যাচাই না করেই একটি চক্র তড়িগড়ি করে গত ২৮ অক্টোবর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক আহবান করে। বৈঠকেও ওই প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক সলভেন্সির যাচাই’র কপি দেখাতে ব্যর্থ হয়। ঠিকাদারদের প্রতিবাদের মুখে বৈঠক স্থগিত করে। পরবর্তীতে ২৯ অক্টোবর হক এন্টার প্রাইজ ব্যাংক সলভেন্সির যাচাই’র কপি জমা করে। এতে ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ছিল না। এরপর পুনরায় চলতি মাসের ৬ নভেম্বর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। অভিযোগ পাওয়া গেছে, টেন্ডার খোলার দিন পর্যায়ক্রমে কোন কোন প্রতিষ্ঠান কত টাকায় কাজটি ডেকেছে তা নিরূপন করা হয়। এতে দেখা যায় মের্সাস হক এন্টার প্রাইজ ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সর্বনিম্ন দরদাতা এবং মের্সাস জাকির হোসেন ১ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ১৮ হাজার ৩৬৫ টাকার রেইট দিয়ে দরপত্র জমা দেয়। কিন্তু মূল্যায়ন কমিটির সভায় জানানো হয় হক এন্টার প্রাইজের দরপত্রে যোগফলের ভুলের কারনে ১৪ লক্ষ টাকা হিসেবে কম ছিল। মেসার্স হক এন্টারপ্রাইজকে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকায় কাজটি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রশ্ন উঠেছে, ১৪ লক্ষ টাকার ভুল কিভাবে হলো। ঘুষের বিনিময়ে কর্মকর্তারা টেন্ডার খোলার দিন যে তালিকা করে তা থেকে কম্পিউটার রেইট কোড পরিবর্তন করে দুর্নীতিবাজ চক্রটি মেসার্স হক এন্টারকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে দেখায়। অভিযোগ পাওয়া গেছে, গণপূর্ত বিভাগের কম্পিউটার বিভাগে মোঃ আজাদ মিয়া দীর্ঘ সাড়ে ১০ বছর ধরে এখানে অবস্থান করছে। তার নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সাধারণ ঠিকাদাররা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘুষের বিনিময়ে যাকে খুশি তাকে কাজ প্রদানে সহযোগীতা করছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই ৫ লক্ষ টাকার কাজ এক ঠিকাদারকে দেয় গণপূর্ত বিভাগ। গণপূর্ত অফিসের সামনে ফটক নির্মানের জন্য এ কাজ করা হচ্ছে। কোন প্রকার কারণ ছাড়াই সরকারী অর্থ লোপাটের জন্য কথিত সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে এ কাজ করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, এ বিভাগের শীর্ষ এক কর্মকর্তার নির্দেশে এমনটি হচ্ছে। গর্ণপূর্ত বিভাগের সাট মুদ্রাক্ষরিক ও কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আজাদ মিয়া সাংবাদিকদের জানান, চিফ ইঞ্জিনিয়ারের মৌখিক নির্দেশে ৫ লক্ষ টাকার কাজটি টেন্ডার ছাড়াই দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লার বিভাগীয় অফিস টেন্ডার ছাড়াই এমন করতে পারেন বলে তিনি জানান। কাজের অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহন প্রসঙ্গে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কবির হোসেন’র দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বলেন, সবকিছুই নিয়ম মাফিক ভাবে করা হয়েছে।

 

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ