,

সূ চি-র নোবেল পুরস্কার কেড়ে নিতে বাধা কোথায়?

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের নেত্রী আং সান সূ চি-কে দেয়া নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে নিতে কোথায় বাধা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে গোটা বিশ্বেই। রাখাইন রাজ্যে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ মানবতার সবচেয়ে বড় অপমান আর লজ্জার মনে করছেন বিশ্বের শান্তিবাদীরা।

আর সেই কাজটিই করছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চি। সে কারণে তার নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেয়া উচিত বলে মনে করছেন তারা। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের অনেকেই চিঠি লিখে এবং বিবৃতি দিয়ে আং সান সূ চি-কে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

অনলাইনে বিভিন্ন সাইটে আং সান সূ চি-র নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের আবেদনে সই করছেন হাজার হাজার মানুষ। সূ চি-র নোবেল শান্তি পুরস্কার কেড়ে নেয়ার জন্য কিছুদিন ধরেই দাবি তুলেছেন অনেকে।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারে যে ব্যাপক নির্যাতন-নিপীড়ন ও গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে, তাতে নিশ্চুপ ভূমিকার কারণে সু চি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাই বিশ্বজুড়েই দাবি উঠেছে সু চির শান্তিতে নোবেল পাওয়াটা এখন আর যৌক্তিক নয়। আগের বিচারে নোবেল পুরস্কার পেলেও সাম্প্রতিক বিচারে শাস্তি স্বরূপ তার পুরস্কার কেড়ে নেয়া উচিত।

কিন্তু যে নোবেল কমিটি এই শান্তি পুরস্কার দেয় তার প্রধান বেরিট রেইস এন্ডারসন বলছেন অন্য কথা। তার যুক্তি, ১৯৯১ সালে দেয়া এই পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এই পুরস্কার নরওয়ে দেয়নি। দিয়েছে নোবেল কমিটি।

বেরিট রেইস আরো বলেন, কাউকে যখন এই পুরস্কার দেয়া হয়, তাঁকে আগের কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই দেয়া হয়। ১৯৯১ সালে আং সান সূ চি-কে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছিল মিয়ানমারে স্বাধীনতার জন্য সামরিক একনায়কত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কারণে। কিন্তু একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর কী করছেন, তা দেখা আমাদের এখতিয়ারে পড়ে না। একটা আমাদের কাজও নয়।’

নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির প্রধান আরো বলেন, ‘যখন কাউকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়, তখন এক বছর ধরে আমরা অনেক প্রার্থীকে জানার, বোঝার, বিশ্লেষণের চেষ্টা করি। এখন যারা পুরস্কার পেয়ে গেছেন, তাদের একই রকমভাবে পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা কতটা কঠিন সেটা নিশ্চয়ই আপনার বুঝতে পারেন। সেটা আমাদের এখতিয়ার এবং ক্ষমতার বাইরে।’

নোবেল পুরস্কার দেয়ার সময় একটা নীতিই মেনে চলা হয়, ওই পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল যে শর্তাবলী বেঁধে দিয়ে গেছেন। এমন দাবি করেন বেরিট রেইস।

তবে নোবেল কমিটি যাই-ই বলুক না কেন, আং সান সূ চি-র সমালোচনায় যারা মুখর হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন অনেক নোবেল পুরস্কার বিজয়ীও। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক আর্চ বিশপ ডেসমন্ড টুটু এক চিঠি লিখে আং সান সূ চি-কে রোহিঙ্গাদের অধিকার রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আং সান সূ চি-র মতো একজন ব্যক্তিত্ব কীভাবে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ব্যর্থ হলেন সে প্রশ্ন তুলে আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার সর্বোচ্চ পদে আরোহনের জন্যই যদি সু চি এই মূল্য দিয়ে থাকেন, সেটা অনেক চড়া মূল্য। সূত্র: বিবিসি।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে