,

বন্যায় ২৭ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭ লাখ মানুষ, ৯৩ জনের প্রাণহানি

news-image

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় দেশের ২৭টি জেলার দেড় শতাধিক উপজেলার ৫৭ লাখ ১৯ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর সরকারি হিসাবে বন্যায় এ পর্যন্ত ১৪ জেলায় ৯৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

শনিবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল।

সভায় জানানো হয়, বন্যা দুর্গত এলাকায় ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ২ লাখ ২৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গত এলাকাগুলোতে এ পর্যন্ত ৬ কোটি ২১ লাখ টাকা ও ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে।

সভায় আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক কাজী শামছুদ্দীন আহমেদ জানান, ভারত, নেপাল ও চীনের উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অতিবৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় দফার বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১০ দিন বৃষ্টিপাতের ধারা কম থাকবে। তবে এর পরে আবারও অতিবৃষ্টি হতে পারে এবং এর প্রভাবে আবারও একইরকম বন্যা হতে পারে।

সভায় সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলা হয়, বন্যার পানি নামতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে কৃষি, বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে। যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোর মেরামত-সংস্কারের কাজ শুরু হবে।

সভায় জানানো হয়, দেশের মহাসড়কগুলো এখনও চলাচলের উপযোগী রয়েছে। তবে জেলা সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন আগামী কোরবানির আগে ঠিক করা সম্ভব হবে না। দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটসহ বন্যা আক্রান্ত যে সমস্ত জেলা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে সে সব জেলায় পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে। একইসঙ্গে ওইসব জেলার কৃষি, অবকাঠামো মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে।

সভায় আরও বলা হয়, এখন সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস কার্যক্রম জেলা-উপজেলা হয়ে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রসারিত করা হবে। এনজিওগুলোকে ঋণের টাকা আদায় স্থগিত করার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।

সবাই ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল বলেন, যে কোনও দুর্যোগে দুর্গতরা শতভাগ ত্রাণ পায় না। দরিদ্রসীমার নিচে বাসকারী মানুষ ত্রাণ পেয়ে থাকেন। এদের শতভাগও ত্রাণ পায় না; ত্রাণ পায় এদের শতকরা ২৩ জন মানুষ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহরাব হোসেন বলেন, বন্যার কারণে শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছে। আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঠদানের উপযোগী করবো। এতদিন শিক্ষার্থীদের ক্লাস না হওয়ার ক্ষতি পোষাতে ছুটির দিনেও ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে