,

সৌদিবিরোধী জোটের চিন্তা কাতারের

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সৌদি আরবের নেতৃত্বে উপসাগরীয় দেশগুলোর অবরোধ আরোপের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে কাতার। শিগগিরই অবরোধ তুলে না নিলে বিকল্প জোট গঠনের পথে হাঁটবে দেশটি। সৌদির আঞ্চলিক শত্রু ইরানসহ তুরস্ক, কুয়েত ও ওমান থাকতে পারে এ জোটে। গত সোমবার রাজধানী দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খবর আল জাজিরা ও রয়টার্সের।

কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবসহ আটটি মুসলিম দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে সংকট নিরসনে এগিয়ে এসেছে কয়েকটি দেশ। তারা কাতারকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সোমবার এক সাক্ষাৎকারে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেন, `আমাদের এক ধরনের বিকল্প পরিকল্পনা আছে। যেটা মূলত নির্ভর করছে তুরস্ক, কুয়েত ও ওমানের ওপর। ইরান আমাদের তাদের আকাশপথ ব্যবহারের সুবিধা দিয়েছে। আর যে দেশ কাতারকে পণ্য সরবরাহ করতে সহায়তা করবে, কাতারও সব সময় তাদের পাশে থাকবে।’

সোমবার রাজধানী দোহায় তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হলে কারও সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসতে রাজি নয় কাতার। তার ভাষায়, কাতার অবরুদ্ধ। এ অবস্থায় কোনো সমঝোতা নয়। তারা অবরোধ তুলে নিলে সমঝোতা আলোচনা শুরু হবে।

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আঞ্চলিক ইস্যুতে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব শুধুই আমাদের। অন্য কোনো দেশ এ বিষয়টি নির্ধারণ করতে কিংবা এ বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করতে পারে না। থানি আরও বলেন, অবরোধ আরোপকারী দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের যেসব ইস্যুর কোনো সম্পর্ক নেই তা নিয়ে কোনো আলোচনা হতে পারে না। আমার নিজস্ব বিষয়ে হস্তক্ষেপের অধিকার কারোই নেই। আল জাজিরা কাতারের নিজস্ব ইস্যু। আঞ্চলিক ইস্যুতে কাতারের পররাষ্ট্রনীতি শুধু কাতারেরই নিজস্ব বিষয়। আর আমাদের নিজস্ব বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলতেও যাব না।

তবে এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যে কোনো ধরনের আলোচনায় প্রস্তুত কাতার। কুয়েতের মধ্যস্থতায় চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের সুর পাল্টে ফেলেন তিনি।

গত ৫ জুন সৌদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথম দোহার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা আসে। এরপর এ তালিকায় যুক্ত হয় মিসর, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ইয়েমেন, জর্ডান এবং মালদ্বীপ। দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্টের অভিযোগ তোলা হয়। কাতারের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়ে রেখেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কাতার সংশ্লিষ্ট ৫৯ জন ব্যক্তি ও ১২টি সংগঠনের নাম সংবলিত ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা’ প্রকাশ করে সৌদি জোট।

কাতার অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। চলমান সংকট নিরসনে আলোচনায় বসার প্রস্তাব নিয়ে দেশটির পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক, রাশিয়া এবং কুয়েত। প্রয়োজনে হোয়াইট হাউসে বৈঠক ডেকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে