,

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে মালদ্বীপে তোলপাড়

news-image

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :সুপ্রিম কোর্টের এক বিতর্কিত রায়ে ভারত মহাসাগরের দ্বীপদেশ মালদ্বীপে চলছে তোলপাড়।দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সোমবার এক বিতর্কিত রায়ে বলেছে, প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, বিচারপতি এবং স্বাধীন সংস্থাসমূহের প্রধানগণকে সংসদ অপসারণ করলেও তা কার্যকর হবে কেবল অনাস্থা ভোট ও অভিশংসন প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে আদালতের রুলের পর।

অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসের একটি আবেদনের সুরাহা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এ বিতর্কিত রায় দিয়ে বসে। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস আবেদন করেছিল, যদি কোনো মন্ত্রী অভিশংসনযোগ্য অপরাধ করেন তাহলেই কেবল সংসদ তাকে পদচ্যূত করতে পারবে মর্মে একটি রায় দেয়া হোক। কিন্তু তার বদলে সুপ্রিম কোর্ট নিজেকে অনাস্থা ও অভিশংসন ভোটের ”ফাইনাল অথরিটি” ঘোষণা করে বসলো।

সুপ্রিম কোর্টের এ অনাহূত কাজে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশটির আইনজীবী, আইনপ্রণেতা ও আইন বিশেষজ্ঞরা।
সাবেক প্রধান বিচারপতি আহমেদ ফয়েজ হুসাইন সোমবার রাতেই তার ফেসবুকে লিখেন, সংবিধানের জন্য আজ আরেকটি কালো দিন।

তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস এ ধরনের আবেদন নিয়ে আদালতে যেতে পারেন কিনা, সেটাই প্রশ্নসাপেক্ষ। তার তো কেবল জনস্বার্থ কিংবা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনে কিংবা কোনো সংবিধানের কোনো ধারা বা আইনের ব্যাখ্যা নিতেই আদালতে যাওয়ার কথা।

সাবেক ডেপুটি প্রসিকিউটর জেনারেল হুসাইন শামীম বলেন, এখন সংসদ যদি একইভাবে প্রতিক্রিয়া না দেখায় তাহলে দেখা যাবে জনগণের সব ক্ষমতা আদালত একে একে কেড়ে নিয়েছে। বিচার বিভাগকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় রাখতে হবে।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফাতমাথ ধিয়ানা সায়ীদ টুইট করেছেন, আদালত আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা নস্যাত করে দিল।

বিরোধী দল এমডিপি’র এমপি মারিয়া আহমেদ দিদি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে দেশ থেকে জনগণের শাসনের অবসান ঘটলো। জনগণের সব ক্ষমতা চলে গেল পাঁচ জনের হাতে, যাদের নিয়োগ হয়েছে জনগণের সরাসরি সম্মতি ছাড়াই।

এমডিপি’র চেয়ারম্যান হাসান লতিফ বলেন, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সিদ্ধান্ত উল্টে দেয়ার ক্ষমতা আদালতকে দেয়নি সংবিধান। এর মাধ্যমে নির্লজ্জভাবে স্বৈরাচারের চূড়ান্ত সিলটি লাগানো হলো। সূত্র : মালদ্বীপ ইন্ডিপেন্ডেন্ট

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে