সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তের বিস্ফোরক সরাতে সম্মত বাংলাদেশ-মিয়ানমার

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সীমান্তে শূন্য লাইনের পাশে পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ও মাইন যৌথ তৎপরতায় অপসরণে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও মিয়ানমারের চিফ অব পুলিশ জেনারেল স্টাফদের মধ্যে সীমান্ত সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ২ এপ্রিল থেকে এ সম্মেলন শুরু হয়ে আজ বৃহস্পতিবার শেষ হয়।

এদিন সকালে বিজিবি সদর দপ্তরে সীমান্ত সম্মেলন শেষে সংবাদ সম্মেলন করে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘সম্মেলনে সীমান্তের শূন্য রেখার আশেপাশে পুঁতে রাখা আইইডি ও মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা পরিহার এবং সীমান্তে টহল পরিচালনাসহ সুষ্ঠু সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সম্মেলনে সুষ্ঠু সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দুই বাহিনীর কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পাহাড়, জঙ্গল, টিলাবেষ্টিত দুর্গম সীমান্ত এলাকা। সীমান্তের উভয় দিকে শূন্য রেখা থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত এলাকাকে বলা হয় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’।

দুর্গম ওই এলাকায় মিয়ানমারের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তৎপরতা যেমন আছে, তেমনি চোরাকারবারীরা ওই সীমান্ত ব্যবহার করছে অস্ত্র ও মাদক পাচারের পথ হিসেবে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে সহযোগিতা করতেও উভয় দেশ একমত হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের মধ্যে যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে তাদের বিষয়েও সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গারা যেন তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সে ব্যাপারে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীরা সহযোগিতা করবে। তবে এ সমস্যা নিষ্পত্তির জন্য রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।

আনিছুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এটি নিয়ে রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা দরকার।’

তিনি জানান, সম্মেলনে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সহযোগিতা, সীমান্ত এলাকায় শান্তি নষ্ট করতে পারে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা, সীমান্ত বিধি লঙ্ঘন না করা, অনিচ্ছাকৃতভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা কোনো নাগরিকের কাছে অবৈধ দ্রব্য না পাওয়া গেলে তার কাছে থাকা জিনিসপত্রসহ তাকে অপর পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা, মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত, উভয় সরকার অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তাদের ভূমি ব্যবহার করার অনুমতি দেবে না ইত্যাদি।

৪৯টি ইয়াবা কারখানার তালিকা দিয়েছে বিজিবি

মিয়ানমারকে ৪৯টি ইয়াবা কারখানার তালিকা বিজিবি দিয়েছে উল্লেখ করে আনিছুর রহমান বলেন, ‘এর আগেও বিজিবির পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে ইয়াবা কারখানার একটি তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তখন তারা কারখানাগুলোর কোনো সন্ধান পায়নি। এ সম্মেলনে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের কাছে সেদেশে অবস্থিত ৪৯টি ইয়াবা তৈরির কারখানার তালিকা দেওয়া হয়েছে।’

এ জাতীয় আরও খবর

লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

শেয়ার জালিয়াতির মামলায় আসামি সাহাবুদ্দিন

শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় ৪১ আসামি, তালিকায় হাসিনা-আজিজ-বেনজীর

‘স্পিরিট’-এ দীপিকার বদলে ক্যাটরিনা, বাড়ছে জল্পনা

প্রযুক্তি ও গবেষণায় স্বনির্ভর হতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

রাজধানীতে আতঙ্ক, সক্রিয় ভাড়াটে খুনিদের তালিকা হালনাগাদ

ঢাকার বায়ুমান আজ সহনীয় পর্যায়ে

থার্ড টার্মিনাল দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন বিমানমন্ত্রী

আন্দোলনে গতি ফেরাতে সক্রিয় হন তারেক রহমান, আসে তিন দাবির আলটিমেটাম

মার্কিন হামলা বন্ধ থাকলে পাল্টা হামলাও বন্ধ রাখবে ইরান

ঢাকায় তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই