সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাজনীন হত্যা মামলার রিভিউ খারিজ: শহীদুলের ফাঁসি বহাল

news-image

আদালত প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশানের নিজ বাড়িতে শিল্পপতি লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে এই মামলায় শহীদের ফাঁসির রায় বহাল রইল।

রোববার ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ রিভিউ আবেদনটি খারিজ করে দেন।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস কে সাহা। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মনোজ ভৌমিক।

১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গুলশানের নিজ বাড়িতে খুন হন শাজনীন তাসনিম রহমান। এ ঘটনায় পরদিন শাজনীনের বাবা লতিফুর রহমান গুলশান থানায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ওই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে সিআইডি।

তদন্ত শেষে প্রথম মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এবং দ্বিতীয় মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। দুটি মামলাতেই আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক কাজী রহমতউল্লাহ মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে ছয় আসামিকেই ফাঁসির আদেশ দেন আদালত।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য এই মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে আসে। একই সঙ্গে আসামিরাও আপিল করেন।

২০০৬ সালের ১০ জুলাই হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি শনিরামকে খালাস দেন। এরপর ৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন চার আসামি হাসান, বাদল, মিনু ও পারভীন।

২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল সাজাপ্রাপ্ত চার আসামির লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আরেক আসামি শহীদ জেল আপিল করেন। প্রায় সাত বছর পর ২৯ মার্চ ওই পাঁচ আসামির আপিলের শুনানি একই সঙ্গে শুরু হয়।

এ মামলায় বাদীপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এএম আমিনউদ্দিন, এএসএম আবদুল মবিন ও সরোয়ার আহমেদ। আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

রায়ের পর এসএম শাহজাহান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে করা মামলায় নিম্ন আদালত ৬ জনকে ফাঁসির আদেশ দেন। এর মধ্যে একমাত্র আসামি শহীদ দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। আপিল বিভাগ তার সাজা বহাল রেখেছেন। বাকিদের খালাস দিয়েছেন। এছাড়া একই ঘটনায় দুটি মামলা চলতে পারে না। তাই আপিল বিভাগ হত্যা মামলাটি আর চলবে না বলে উল্লেখ করেছেন।

আজ আপিল বিভাগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে করা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদের রিভিউ আবেদন খারিজ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দেয়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রইলো।

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা