মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফখরুলের বক্তব্য স্ববিরোধী : ওবায়দুল কাদের

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচন কমিশন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সাথে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের যোগসাজশ রয়েছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যকে স্ববিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকালে রাজধানীর হোসনী দালানে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি অবাক হয়েছি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। তার বক্তব্য একেবারেই স্ববিরোধী। রাষ্ট্রপতির কাছে বিএনপি প্রস্তাব পাঠিয়েছে একজন ব্যক্তির নাম উদ্ধৃত করে। এটা বঙ্গভবনের সাথে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের যোগসাজশ এবং গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। আবার তিনিই বললেন, আমরা কে এম হাসানের নাম পাঠাইনি। ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাইনি।

তিনি বলেন, তো ঠিক আছে। তাহলে আপনি একদিকে বলছেন গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়েছে, আরেক দিকে বলছেন এই নাম পাঠাইনি। তাহলে কী দাড়ায়? স্ববিরোধী বক্তব্য। তিনিই বলেছেন নাম পাঠাইনি তাহলে গোপনীয়তা ভঙ্গের বিষয় কেন এলো? নামই যখন পাঠাননি, তখন গোপনীয়তা কিভাবে ফাস হলো? আসলে তিনি কথার ফাদে আটকে গেছেন, স্ববিরোধী বক্তব্যে। আবার আমাকে বলেন বক্তব্য প্রত্যাহার করতে।

বিএনপির নেতারা মামলার ভয়ে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য প্রকাশ করে দেন দাবি করে কাদের বলেন, বিএনপির গোপন কথা জানতে আমাদের কি বঙ্গভবনের সাথে গোপনে যোগাযোগ করতে হবে? বিএনপির গোপন কথা বলার জন্য বিএনপিই যথেষ্ট।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যাদেরকে নিয়ে সংলাপে গেলেন তাদের সভাইকে কি আপনি বিশ্বস করেন মির্জা ফখরুরন সাহেব? অনেকের নামেই তো মামলা আছে। জেল-জুলুমের ভয়ে গোয়েন্দাদের কাছে ঘরের কথা পরকে তারা বলে দেন। এই সূত্র ধরেই তো অনেকেই জানতে পারে তাদের ঘরের কথা। আমার কেন জানতে হবে।

বিএনপি সবসময়ই দলীয় লোকদের দিয়ে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান চালিয়েছেন অভিযোগ করে কাদের বলেন, আমি শুধু বলবো, বিএনপির ইতিহাস বলে এসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে তারা দলীয় লোক দিয়েছেন। মনে আছে এম এ আজিজের কথা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা? মনে আছে কে এম হাসানের কথা? তিনি তো বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কে এম হাসান সাহেবকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার জন্য বিচারপতিদের বয়স দুই বছর বাড়িয়ে ৬৫ থেকে ৬৭ করা হয়েছিল। এত পেয়ারের লোক বেঁচে থাকতে তাদের চয়েজে থাকবে না এটা কেমন করে হয়।

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনার দলের অফিসে আপনার সামনে একজনে আরেক জনকে সরকারের দালাল বলে। নিজেরা নিজেদের আগে বিশ্বাস করুন, স্ববিরোধীতা পরিহার করুন। রাজনীতিটা ইতিবাচক ধারায় নিয়ে আসুন।

তিনি বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আমরা প্রত্যাশা করি, আমাদের দলের লোক চাই না। আমরা ইলেকশন কমিশনেও চাই না, সার্চ কমিটিতেও আওয়ামী লীগের লোক চাই না। আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী যে কোনো লোক, আওয়ামী লীগ না হলেও যে কোনো মানুষ যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে এমন যোগ্য লোককে দিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটিও করতে পারেন, ইলেকশন কমিশনও গঠন করতে পারেন।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের সউপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফার হোসেন পল্টু, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সঈদ খোকন, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান।

এ জাতীয় আরও খবর

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত

এলপিজি ও ডিজেল ভর্তুকিতে নতুন কার্ড চালুর উদ্যোগ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিইসির বৈঠক ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে

স্বর্ণের দাম আবার কমল ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশীয় চিকিৎসা যন্ত্র উৎপাদনে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আহত জুলাই যোদ্ধার নবজাতকের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের