রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের অর্থ জোগাতে পতিতাবৃত্তিতে তরুণী!

news-image

অনলাইন ডেস্ক : প্রেমিককে বিয়ে করতে ব্যাকুল প্রেমিকা। একই সঙ্গে অর্থাভাবে হবু শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে প্রত্যাখ্যাত হতে থাকেন তিনি। তাই অর্থ জোগাতে স্বেচ্ছায় দেহ ব্যবসায় নামেন ভারতের রাজস্থানের এক তরুণী।

এরপর যৌনতা, ব্ল্যাকমেলিং ও স্বাভাবিক জীবনের কামনা- সবে মিলে তার গল্প চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের থেকেও আকর্ষনীয় হয়ে গেছে। রাজস্থান পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ওই পতিতাবৃত্তির ঘটনা ফাঁস করেছে।

২৬ বছরের মেয়েটির জন্ম হংকংয়ে, থাকতেন ভারতের পঞ্জাবের ফরিদকোটে দাদা-দাদির সঙ্গে। ২০১২ সালে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ার সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই এমবিএ এর ছাত্র রোহিত শর্মার। এরপর সেটা গড়ায় সম্পর্কে।

কোর্স শেষ হওয়ার পর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তারা। কিন্তু দু’জনের কেউই আয়-রোজগার না করার রোহিতের পরিবার বিয়েতে আপত্তি করে। পুলিশকে মেয়েটি জানিয়েছেন, প্রেমিকের মায়ের প্রত্যাখ্যানে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি সহজে টাকা রোজগারের রাস্তা খুঁজতে থাকেন। ২০১৩ সালে তার সঙ্গে আলাপ হয় এক মধুচক্রের পান্ডা অক্ষত শর্মার। মাসে ১২,০০০ টাকার বিনিময়ে তাকে নিয়োগ দেন তিনি। সেখানেই তার আলাপ মধুচক্রের অন্য সদস্যদের সঙ্গে।

চক্রের বাকিরা সহজেই বুঝতে পারে, এই মেয়েটি টাকা রোজগারে মরিয়া। ২০১৪ সালে তারা তাকে শহরের এক আবাসন নির্মাণকারীর কাছে নিয়ে যায়। পরে তারা ওই নির্মাণকারীকে ব্ল্যাকমেইল করে, বলে ১.২০ কোটি টাকা না দিলে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা হবে। এভাবেই দেহ ব্যবসার পাশাপাশি ব্ল্যাকমেলিংয়ে হাত পাকান ওই নারী। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে তার জোটে ৩০ লাখ টাকা।

তারপর থেকেই ওই চক্রের সদস্যরা সফট টার্গেট খুঁজে তার হাতে তুলে দিত। কখনও সেই টার্গেট ডাক্তার, কখনও ইঞ্জিনিয়ার আবার কখনও আবাসন নির্মাণকারী। মোট কথা তার আর টাকার অভাব হয়নি। এরই মধ্যে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পছন্দের মানুষের সঙ্গে তার বিয়ে হয়ে যায়। ততদিনে ১ কোটির ওপর রোজগার করে ফেলেছেন তিনি, ব্ল্যাকমেল করেছেন অন্তত ৬ জনকে।

তবে বিয়ের পরই মধুচক্রের সঙ্গ ছাড়েন ওই নারী। তখন তিনি চেয়েছিলেন সুস্থভাবে সংসার করতে। তার স্বামীও এত কিছু সম্পর্কে কিছুই জানতেন না।

দেহ ব্যবসা আর ব্ল্যাকমেলিংয়ে রোজগার করা লাখ লাখ টাকা খরচ খরচ করলেন কীসে? মেয়েটি জানিয়েছেন, তার শখ ছিল রোহিতের জন্য দামী উপহার কেনা, তা সে পারফিউমই হোক বা গহনা। রোহিতের পরিবারের কাছে তার প্রমাণ করার ছিল, তিনি তাদের ছেলের থেকে বেশি রোজগার করতে পারেন। তাই তার এই অন্ধকার পথে হাঁটা। সূত্র: এবিপি আনন্দ।

এ জাতীয় আরও খবর

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা

সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

বদির পরিকল্পনাতেই একরাম হত্যা: চিফ প্রসিকিউটর