বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আ.লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়’

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন তিনি উগ্রবাদ জঙ্গিবাদ দমন করছেন। অথচ এ উগ্রবাদ জঙ্গিবাদ আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবার সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশে উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদের উত্থান হয়।

image-12558

রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।‘লুই কানের নকশা : পাকিস্তানের পতাকার আদলে স্বৈরাচারী আইয়ুবের স্বপ্নের প্রতিফলন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরাম।

 

মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া সবচেয়ে বড় জঙ্গিবাদ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বিএনপির আমলে জঙ্গিবাদ শব্দটির সাতে মানুষ পরিচিত ছিল না। সরকার বলে জঙ্গিবাদ দমন করেছে। তাহলে কি করে আশকোনায় জঙ্গি ধরা পড়ে। এরা কি আসলে জঙ্গি নাকি রাষ্ট্রীয় সৃষ্টি।

তিনি বলেন, সরকার জঙ্গিবাদ দমন করছে সেটি জনগণকে দেখানোর জন্য। তাই কোনো নাটক সৃষ্টি না করে আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ দমন করি।

রিজভী বলেন, বর্তমান সময়ে দেশে মানুষ ভয়ে কোনো কথা বলতে পারে না। বিরোধী দলের মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। ভোটের অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছে। চারদিকে ভয় আর শঙ্কা, এটাই কি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল। এ ভয়ের সংস্কৃতিই মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

নাসিক নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা টেলিভিশন ফাটিয়ে দিচ্ছেন। যখন মানুষের কথা বলার অধিকার, গণতন্ত্র কেড়ে নিচ্ছেন, রক্তপাতে নির্বাচন করছেন, তারা হঠাৎ সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলেন কি করে? এটাই বড় বিস্ময়কর বিষয়। এ সুষ্ঠু পরিবেশ দেখানোর উদ্দেশ্য কি?

তিনি আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম পর্দার আড়ালে কিছু হচ্ছে কি না। মানুষের ভয় ভেঙে ভোটকেন্দ্রে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। আমরা বলেছি সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেটা করেনি। আমাদের কোনো কথা রাখেনি।
রিজভী বলেন, নির্বাচনের আগের দিন রাতে ভোটের সব জিনিস ঢুকেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায়। অথচ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এর আগে কোনো সঠিক নির্বাচন উপহার দিতে পারেনি। ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে দিলেন কেন? এ ভয়, সংশয়ের কারণ তদন্ত করা দরকার।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন জিয়াউর রহমানের মাজার সরানো বিষয়ে বলেন, সরকারের যদি সামান্যতম ন্যায়বোধ থাকে তাহলে একজন সায়িত ব্যক্তিকে টানাহেচড়া করতেন না। প্রধানমন্ত্রী আপনি কতবছর ক্ষমতায় থাকবেন? ১০ বছর কিংবা ২০ বছর? একদিন তো ক্ষমতা ছাড়তে হবে। তবে যখনই ক্ষমতায় ছাড়েন না কেন এর প্রতিক্রিয়া হবে দীর্ঘ সময়ের জন্য। যা হবে খুবই ভয়ংকর, মারাত্মক।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা বা নেতা এভাবে চিন্তা করা ঠিক হবে না। তিনি জাতির সম্পদ। শুধু তিনিই নন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ কে ফজলুল হক, আব্দুল হামিদ খান ভাসানীও জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিলেন। তাদের প্রতি ন্যুনতম ঈর্ষা জাতি কিছুতেই মেনে নেবে না।

স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির নেত্রী খালেদা ইয়াসমীন এবং কৃষক দল নেতা শাজাহান মিয়া।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত