,

সরাইলে ২ মাদকাসক্তকে সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার, রাতেই ছাড়

b-baria-mapসরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : সরাইলে ২ মাদকাসক্ত যুবককে মাদক সেবনকালে সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ওই ২ মাদকসেবীর কাছ থেকে ২৯ হাজার টাকা মাসোয়ারা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। গত বুধবার সন্ধ্যার পূর্ব মূহুর্তে উপজেলার শাহবাজপুর প্রথম গেইট এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে শুক্কুর আলী বলছে আমি যাত্রী নিয়ে এসেছিলাম। মাদক সেবন করিনি। পুলিশ অযথা আমাকে আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যার পূর্ব মূহুর্তে হৃদয়-ফাহিম নামের (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-থ-১৭৪১) একটি অটোরিকশায় করে শাহবাজপুর প্রথম গেইট থেকে মৌলভীবাজার এলাকার একটি ব্রিকস মিলে আসে মানিক। চালক শুক্কুর আলীকে রাস্তায় বসিয়ে ব্রিকস মিলের ১টি ঘরে বসে কয়েকজন যুবককে নিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করতে থাকে সে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহবাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আবদুল আলীম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই আস্তানায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদকসেবীরা দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে মানিক মিয়া (৩৮) নামের যুবক ও অটোরিকশা চালক শুক্কর আলীকে (২৫)। শুক্কুর আলী নিজেকে অটোরিকশা চালক পরিচয় দেওয়ার পরও ২ জনকেই থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। রাত ৮টার পর এস আই আবদুল আলীম মুঠোফোনে জানান, তারা দুইজনের বিরুদ্ধেই থানায় মামলা হয়েছে। কারন মানিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সাথে জড়িত। অটোরিকশাটিকেও মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ রাত ১০টার দিকে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে থানা থেকে মানিককে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

আর গত বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ শুক্কুর আলীর স্বজনদের কাছে প্রথমে ২০ হাজার টাকা দাবী করে। পরে অনেক কাকুতি মিনতি করে ৭ হাজার টাকা নিয়ে থানা থেকে অটোরিকশাসহ ছাড় পায় শুক্কুর আলী। চালক শুক্কুর জানায়, শাহবাজপুর দ্বিতীয় গেইট থেকে রিজার্ভের কথা বলে আমাকে নিয়ে আসে মানিক। এখানে দাঁড়াও বলে পাশের ইট মিলের একটি ঘরে প্রবেশ করে মানিক। আমি তখন ইট তৈরী দেখছিলাম। হঠাৎ দেখি পুলিশ কয়েকজন যুবককে ধাওয়া করছে। কয়েকজন পালিয়ে গেলেও পায়ে সমস্যা থাকায় মানিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার ঘন্টা খানেক পর আমি অটোরিকশায় বসে আছি। পুলিশ এসে বলে সিএনজিটি কার? বল্লাম আমার। পুলিশ মানিককে আমার সিএনজিতে করে শাহবাজপুর ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। আমাকে হঠাৎ করে বলে ২০ হাজার টাকা দিলে তোকে ছেড়ে দিব। টাকা দিতে পারিনি। তাই মানিকের সাথে আমাকে থানায় পাঠিয়ে দেয়। রাত ১০টার দিকে দেখি মানিককে থানা থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। ভেবেছিলাম আমাকে ছেড়ে দিবে। না আমাকে আটকে রাখা হল। কারন আমি টাকা দিতে পারিনি। গত বৃহস্পতিবার সকালে আমার স্বজনরা থানায় আসলে পুলিশ ২০ হাজার টাকা চায়। আমি গরীব অসহায় কোথায় থেকে দিব টাকা। পরে অনেক কষ্টে ৭ হাজার টাকা যোগাড় করে বিশেষ ব্যক্তি দ্বারা অনুরোধ করে স্বজনরা সিএনজিসহ আমাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনেন। এস আই আবদুল আলীম টাকা লেনদেনের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চাপাচাপি ও তদবিরের কারনে মামলা না দিয়ে তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছি। প্রমঙ্গতঃ সম্প্রতি কুট্রাপাড়া গ্রাম থেকে বিপুল পরিমান মাদক ও মাদক সেবনের যন্ত্রপাতিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে সরাইল থানা পুলিশ। পরে সরাইল সদরের তালিকাভুক্ত ২ মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারীকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি চাওর রয়েছে গোটা সরাইলে। বাকী ২ জন সরাইলের বাহিরের হওয়ায় তাদেরকে আদালতে প্রেরন করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে