,

ভারতীয় বিমানবাহিনীতে মুসলমানদের দাড়ি রাখা নিষেধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :ইসলাম ধর্মের সঙ্গে দাড়ি রাখার কোনো সম্পর্ক আদালতে প্রমাণ করতে না পারায় বিমানবাহিনীর এক মুসলিম সদস্যকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছেন দেশটির প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ।
image-11206
মুহাম্মদ জুবায়ের নামে বিমানবাহিনীর ওই কর্পোরালকে দাড়ি রাখার কারণে বরখাস্ত করেছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী। তারই পরিপ্রেক্ষিতে জুবায়েরের করা মামলায় এ রায় দিল আদালত।

রায়ে বলা হয়, ভারতের বিমানবাহিনীতে শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুশাসনের কারণেই দাড়ি রাখা যেতে পারে। বিমানবাহিনীর মতো একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে সমতা জারি রাখার উদ্দেশ্যেই দাড়ি গোঁফ রাখার যে নিয়ম রয়েছে, তা সবাইকেই মানতে হবে। ওই নিয়ম কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি বৈষম্যের জন্য করা হয়নি।

বিমানবাহিনী এক নির্দেশিকায় বলেছিল, ২০০২ সালের ১ জানুয়ারির আগে দাড়ি-গোঁফ নিয়েই যেসব মুসলমান বিমানবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, কেবল তারাই দাড়ি রাখতে পারেন। কিন্তু তারপর বাহিনীতে যোগ দেয়া কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে দাড়ি রাখতে দেয়া হবে না। তবে শিখ ধর্মের অনুশাসনে যেহেতু দাড়ি, গোঁফ আর লম্বা চুল রাখা বাধ্যতামূলক, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বলবৎ করেনি বিমানবাহিনী।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর নিয়মাবলীর ৪২৫ নম্বর ধারাতে বাহিনীর সদস্যদের চুল, দাড়ি, গোঁফ কীভাবে ছাঁটতে হবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেখানেই ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে ছাড় দেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এরপর বেশ কয়েকবার ওই নিয়মাবলীর পরিমার্জন করেছে বিমানবাহিনী। সর্বশেষ পরিমার্জন করা হয় ২০০৩ সালে।

আবেদনকারী জুবায়ের ২০০১ সালের ডিসেম্বরে বিমানবাহিনীতে যোগ দেন। ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী এই যুক্তিতে দাড়ি রাখার অনুমতি চান। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় দাড়ি রাখার আবেদন করেছিলেন জুবায়ের।

তাকে এয়ার অফিসার কমান্ডিং ডেকে পাঠিয়ে বুঝিয়েছিলেন কেন তাকে দাড়ি রাখার অনুমতি দেয়া নিয়ম বিরুদ্ধ। তবে সেই অফিসার একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে দাড়ি রাখা-না রাখার নিয়মটি নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠান।

এরপর ছুটিতে চলে যান মুহাম্মদ জুবায়ের। প্রায় দেড় মাস ছুটি কাটিয়ে কাজে যোগ দেয়ার সময় তার মুখে দাড়ি দেখা যায়। তাকে প্রথমে দাড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়া হলেও পরে সাময়িকভাবে দাড়ি রাখার অনুমোদন দেন সিনিয়র অফিসার।

কিন্তু বিমানবাহিনীর সদর দপ্তর আইনি ব্যাখ্যায় জানায়, ধর্মীয় কারণে যারা দাড়ি রাখার অনুমতি পেতে পারেন, তাদের মধ্যে জুবায়ের পড়েন না। সেসময় নির্দেশ উপেক্ষা করে তিনি দাড়ি কাটতে অস্বীকার করেন। তখনই বরখাস্ত করা হয় মুহাম্মদ জুবায়েরকে।

বরখাস্ত হওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে যে মামলা করেন জুবায়ের। সেটিই হাইকোর্ট হয়ে যায় দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে