বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিআরপিতে কেমন আছে খাদিজা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিস এখন সাভারের সিআরপিতে চিকিৎসাধীন। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে গত ২৮ নভেম্বর তাকে সিআরপিতে পাঠানো হয়। সেখানে নেয়ার একদিন পর থেকে তাকে ফিজিওথেরাপির দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।সোমবার খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া ও ভাই শাহীন আহমদ বিবার্তাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

image-9447

তারা জানান, খাদিজা ভালোই আছে। সে সবার সাথে কথা বলতে পারছে। প্রতিদিন সে সিলেটে থাকা স্বজনদের সাথে কথা বলছে। এছাড়া প্রবাসী স্বজনদের সাথে কথা বলছে। নিয়মিত খাচ্ছে এবং ঘুমাচ্ছে।

তারা ডাক্তারের বরাত দিয়ে আরো জানান, খাদিজাকে দীর্ঘ দিন ফিজিওথেরাপি দেয়া লাগবে। কত দিন লাগতে পারে জানতে চাইলে খাদিজার ভাই শাহিন বলেন, দুই থেকে তিন মাস ফিজিওথেরাপি লাগবে।

এদিকে, খাদিজার উপর হামলাকারী বদরুল আলমের বিচার শুরু হয়েছে। স্বয়ং খাদিজাও সেই বদরুলের বিচার দাবি করেছেন। সম্প্রতি তিনি সাভাবে সংবাদিকদের কাছে বদরুলের বিচারের কথা জানান।

প্রসঙ্গত, খাদিজা আক্তার নার্গিস সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাঁও ইউনিয়নের হাউসা গ্রামের মাসুক মিয়ার মেয়ে। সে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। গত ৩ অক্টোবর বখাটে বদরুলের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে জখম হন তিনি। প্রথমে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরদিন মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় স্কয়ার হাসপাতালে। এ সময় তার জিসিএস ছিল মাত্র ৫। সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থা ছিল তার। বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম ছিল। পরে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে তাকে নিবিড় পরিচার্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানো হয়।

সেখানে সি.টি. স্ক্যান করে দেখা যায়, ব্রেনের বিভিন্ন অংশ গুরুতর আক্রান্ত এবং মিডলাইন থেকে সরে গেছে। এ অবস্থায় তাকে সাথে সাথেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিউরোসার্জারী বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. এ এম রেজাউল সাত্তারের নেতৃত্বে মস্তিস্কে ডিকমপ্রেসিভ সার্জারি করা হয়। পরে আইসিইউতে ধীর গতিতে তার অবস্থার উন্নতি হয়।

গত ১৭ অক্টোবর অর্থোপেডিক বিভাগের ডা. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে খাদিজার ডান হাতে মাল্টিপল ফ্লিক্সার টেনটন রিপেয়ার করা হয়। এছাড়াও ওই সময় ট্রেথসটমি করা হয়, যা ১৯ অক্টোবর ক্লোজ করা হয় এবং তাকে এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

৭ নভেম্বর একসাথে অর্থোপেডিক ও নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসরা আবার অপারেশন করেন। সর্বশেষ ৮ নভেম্বর সার্বিক অবস্থা উন্নতি হওয়া খাদিজাক কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে খাদিজার জিসিএস ১৫ রয়েছে। এটা মানুষের স্বাভাবিক জিসিএস বলে জানান ডাক্তাররা। গত সোমবার ২৮ নভেম্বর তাকে সাভারের সিআরপিতে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত