,

রামপাল প্রকল্প নিয়ে গণভোটের দাবি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে কি হবে না এ নিয়ে গণভোট আয়োজনের দাবি উঠেছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির মহাসমাবেশ থেকে। একচেটিয়াভাবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ব্যবসায়িক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সরকার হটানোর আন্দোলন শুরু করা হবে বলেও ঘোষণা আসে মহাসমাবেশ থেকে।

1480181703-oil-gass-minarl-1

সুন্দরবনের কাছাকাছি বাগেরহাটের রামপালে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ বন্ধ করার দাবিতে আজ শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের আয়োজন করে তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি। সারা দেশ থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ওই মহাসমাবেশে অংশ নেয়। বেলা ৩টায় সমাবেশ শুরু হয়। এর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে যত আন্দোলন কর্মসূচি হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল আজকের এই কর্মসূচি।

মহাসমাবেশের শুরুতে কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মহাসমাবেশে গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘গণভোট দিয়ে আপনারা মতামত নিন। দেখবেন এক শতাংশ মানুষও ওই এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র করার পক্ষে নয়।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘এ ইস্যুতে সরকার যদি আমাদের দাবির কাছে নতি স্বীকার না করে তাহলে এ আন্দোলন রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপান্তরিত হবে, রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের আন্দোলনে রূপান্তরিত হবে।’

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘কারা করছে এ কাজ? কারা এ কাজ করতে যাচ্ছে? করতে যাচ্ছে তারা, যাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র দেশপ্রেম নেই। যারা এ দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে। যারা মনে করে, এ দেশের কোনো ভবিষ্যত নেই। যাদের সন্তান-সন্ততি এরই মধ্যে বিদেশে চলে গেছে। সেই শতকরা এক শতাংশ এ কাজটা করছে। তাদের বিপক্ষে এ দেশের শতকরা ৯৯ জন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।’

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এর মধ্যেও যদি সরকার দাবি পূরণ না করে তাহলে জনগণের যে সমর্থন আমরা পেয়েছি তার ওপরে ভিত্তি করেই আগামী ২৬ জানুয়ারি প্রথম দফায় ঢাকা মহানগরীতে অর্ধদিবস হরতাল আহ্বান করছি।’

মহাসমাবেশে যোগ দেয় সিপিবি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ-মাহবুব, বাসদ (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয় গণফ্রন্ট, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী দলসহ সমমনা বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠন।

মহাসমাবেশের পর নগরীতে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ হয়ে প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। তবে মিছিলটি যখন মৎস্য ভবন পৌঁছায় তখনো এর শেষ মাথা শাহবাগ মোড় থেকেও বহু দূরে ছিল। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, এতো মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে মানুষ সুন্দরবন ধ্বংসকারী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের বিপক্ষে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে