বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিপিএলের অর্ধেক পথ পেরিয়ে হিসাব–নিকাশ

31-foreighn-e1475036022360-600x289অর্ধেক পথ পাড়ি দিয়ে ফেলেছে এবারের বিপিএল। ৪৬ ম্যাচের ২৪টি এরই মধ্যে শেষ। ঢাকার পর চট্টগ্রাম-পর্ব শেষে বিপিএল কাল থেকে ফিরছে আবার ঢাকায়। কতটা জমেছে বিপিএল—অর্ধেক পথ পেরিয়ে হিসাব–নিকাশের খাতাটা উল্টে দেখে নেওয়া যায়।

 ঢাকা-চট্টগ্রামে ছুটির দিন বাদে গ্যালারি ভরেছে কমই। অবশ্য ফাঁকা গ্যালারি দিয়ে বিপিএলের পূর্ণ ছবি পাওয়া যাবে না। ২৪ ম্যাচের বেশির ভাগই একতরফা লড়াই দেখা গেছে। তবে এর মধ্যে ৬টি ম্যাচে ছিল জমজমাট, উত্তেজনায় ঠাসা। ৯ নভেম্বর মিরপুরে মাহমুদউল্লাহর শেষ ওভারের ভেলকিতে রাজশাহী কিংসকে খুলনা হারায় ৩ রানে। ১২ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংসের সঙ্গেও শেষ ওভারে আবারও মাহমুদউল্লাহ-জাদু। খুলনা পায় ৪ রানের জয়। পর দিন বরিশাল-রাজশাহীর ম্যাচটিও বেশ স্নায়ুক্ষয়ী। সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ১৯২ রান প্রায় তাড়া করে ফেলেছিল রাজশাহী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেনি। বরিশাল ম্যাচটা জিতে নেয় ৪ রানে।
চট্টগ্রামে খুলনার দেওয়া ১৫৮ রান তাড়া করতে নেমে তারকাসমৃদ্ধ ঢাকা ডায়নামাইটস অলআউট ১৪৮ রানে। পরের ম্যাচেও হারের গেরোটা কাটাতে পারেনি ঢাকা। পরাজয়ের বৃত্তে ঘুরতে থাকা রাজশাহীকে ১৮৩ রানের লক্ষ্য দেয় সাকিব আল হাসানের দল। এক বল বাকি থাকতে বিশাল লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় রাজশাহী। ২১ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ৩ উইকেটে ১৮৩ রান করে কুমিল্লা। ৪ বল বাকি থাকতে বিশাল লক্ষ্যটা পেরিয়ে যান তামিমরা।
সত্যি বলতে কি, এই ম্যাচ কয়েকটি বাদে বেশির ভাগ ম্যাচে সেই রোমাঞ্চের খোঁজ মেলেনি। একতরফা জয় দেখতেও নিশ্চয়ই ভালো লাগে না সমর্থকদের। আর টি-টোয়েন্টি মানে মসলাদার ক্রিকেট। সেই চার-ছক্কাও মন ভরাতে পারেনি অনেক ম্যাচেই।
টি-টোয়েন্টি মানেই ভাবা হয় চার-ছক্কার বৃষ্টি। বিপিএলে সেটি কি প্রত্যাশামতো দেখা যাচ্ছে? চট্টগ্রাম-পর্ব পর্যন্ত মোট চার হয়েছে ৫৬৯টি, ইনিংসে গড়ে চার হয়েছে ১১.৮৬। এ পর্যন্ত ছক্কা ২২৭টি, ইনিংসে গড়ে ব্যাটসম্যানরা ছয় মেরেছেন ৪.৭২টি। প্রতি ইনিংসে মাত্র ৫টির মতো ছক্কা, মন কী করে ভরবে!
ঝড় উঠছে সাব্বিরের ব্যাটে। ছবি: প্রথম আলোএখনো পর্যন্ত ব্যাটসম্যানরা মোট রান করেছেন ৬৯৪১। এর মধ্যে অতিরিক্ত থেকে এসেছে ৪০০ রান। সেঞ্চুরি হয়েছে মাত্র ১টি আর হাফ সেঞ্চুরি ৩০টি। প্রতি ইনিংসে গড়ে ফিফটি ১.২৫টি। ইনিংসে গড়ে রান উঠছে ১৪৪.৬০, টি-টোয়েন্টি বিবেচনায় যেটিও খুব ভালো নয়। ১০০-এর নিচে অলআউট দুটি দল। রংপুরের বিপক্ষে ৪৪ রানে গুটিয়ে বিপিএলে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা পেয়েছে খুলনা।
টুর্নামেন্টে বোলারদের যে ভীষণ দাপট, সেটিও বলার উপায় নেই। ২৪ ম্যাচে ২৭১টি নিতে পেরেছেন বোলাররা। তার মানে ৫৬.৪৫ শতাংশ উইকেট শিকার করতে পেরেছেন তাঁরা।
প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রেই ব্যাটসম্যান আউট না হয়েও স্কোর বোর্ডে বড় রান জমা হয়নি। হাতে উইকেট থেকেও বড় স্কোর না হওয়া এবারের বিগ হিটার সংকটের আরও একটি প্রমাণ।
অবশ্য গতবারের তুলনায় এবারের অবস্থা ভালো। গতবার পুরো টুর্নামেন্টে ২৫০টি ছক্কা হয়েছিল, চার হয়েছিল ৭৫২টি। গতবারের উইকেট নিয়েও বেশ কথা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত