,

রাবির ‘ডি’ ইউনিটে পাসের হার ০.৫ শতাংশ

ru_logo_28952_1477660490রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত (বিবিএ) ‘ডি’ ইউনিটের অবাণিজ্য শাখায় ৯১ আসনের বিপরীতে পাস করেছেন মাত্র ১৯ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ০.৫ শতাংশ।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।

গত ২৪ অক্টোবর দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ‘ডি’ ইউনিটের বাণিজ্য শাখা এবং বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা অবাণিজ্য শাখার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
অবাণিজ্য শাখার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ৩,৮০০ ভর্তিচ্ছু। ১৯ জন ছাড়া অন্য পরীক্ষার্থীরা ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০ নম্বরও পাননি। ফলে শূন্য ৭২টি আসন কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন ওই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটি।

এ বিষয়ে জানতে অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী সাদিকের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাবির একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার এইচএম আসলাম হোসাইনের নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। শুক্রবার অফিস বন্ধ থাকায় সরাসরি গিয়েও তাদেরকে পাওয়ার সুযোগ ছিল না।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটি সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির কাছে সুপারিশ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিবিএ অনুষদের সাবেক ডিন ও চলতি শিক্ষাবর্ষে ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন যুগান্তরকে জানান, বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের ওপর অবাণিজ্য শাখা থেকে অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০০ নম্বরের প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়। এতে আলাদাভাবে পাস করার কোনো শর্ত নেই।

তিনি জানান, তিন বিষয় মিলে ন্যূনতম ৪০ নম্বর প্রাপ্তদের পাস বলে বিবেচনা করা হয়। তবে মাত্র ১৯ জন পরিক্ষার্থী শর্তানুযায়ী নম্বর পেয়েছেন।

আমজাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বিবিএ অনুষদের ভর্তি কমিটির সদস্যরা দ্রুত সভা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি কমিটির দুজন সদস্য নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে জানান, শূন্য আসনগুলো পূরণ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিনটি প্রস্তাব রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথমত- ন্যূনতম পাশ নম্বর কমিয়ে, দ্বিতীয়ত- বাণিজ্য শাখা থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী অবাণিজ্য শাখার জন্য নির্ধারিত আসন পূরণ করা আর সবশেষ প্রস্তাব থাকবে- আসনগুলো শূন্য রাখা।

তবে তাতে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হবেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তারা।

অনুষদের তিনটি বিভাগের কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক যুগান্তরকে জানান, অবাণিজ্য শাখার প্রশ্ন চলতি বছর বেশ কঠিন হয়েছে। এ শাখায় যেহেতু বিজ্ঞান, মানবিক ও অন্যান্য বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করেন, তাই সেই অনুযায়ী প্রশ্ন করা উচিত ছিল। তবে আবেদনকারীদের ন্যূনতম ৪০ নম্বর পাওয়া উচিত ছিল বলে মানছেন তারাও।

অনুষদ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ‘ডি’ ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) স্নাতক শাখায় মোট ৫২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে।

এইচএসসি-তে বাণিজ্য বিভাগে পাস করা ভর্তিচ্ছুদের বাণিজ্য শাখা এবং বিজ্ঞান, মানবিক, কারিগরি, ‘এ’ লেভেল এবং ‘ও’ লেভেল থেকে পাস করা ভর্তিচ্ছুদের অবাণিজ্য শাখায় অন্তর্ভুক্ত করে পরীক্ষা নেয়া হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে