,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টির  দোকানে লেগেছে পূজার ধূম

1475758515913আমিরজাদা চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : শুরু হচ্ছে  হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা । পূজাকে ঘিরে তাই সর্বত্র উৎসবের আমেজ। পূজার আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিতে মিষ্টির বিকল্প নেই। আর তাই ফুসরত নেই মিষ্টি কারিগরদের। দেবীর বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত সর্বত্রই যে মিষ্টিরই ছড়াছড়ি। বাপের বাড়িতে দুর্গার আগমন থেকে শুরু করে আবারো স্বামীর বাড়িতে ফিরে যাওয়ার পুরো সময়টাই নানান মিষ্টির আয়োজনে থাকে ভরপুর। তাইতো নানান রঙ ও স্বাদের মিষ্টি বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিষ্টি কারিগররা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ঘুরে জানা যায়, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী পাঁচ প্রকার মিষ্টি দিয়ে দেবী দুর্গাকে বরণ করতে হয়। আর ভক্তদের মিষ্টি দিয়ে প্রসাদ বিতরণ করতে হয়। তাছাড়া হিন্দু ধর্মালম্বীরা পূজায় অতিথিদের বরণ করেন মিষ্টিমুখ করিয়ে। কারণ মিষ্টিকে অনেকেই আনন্দের প্রতীক হিসেবে মনে করেন। তাই মিষ্টির চাহিদা পূরণ করতে ব্যস্ত সময় পার করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টি কারিগররা।

রাতদিন মিলে তাদের কাজ করতে হচ্ছে। তবে এবার দুধের সঙ্কট থাকায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন এখানকার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিষ্টির সুখ্যাতি দেশজুড়ে। এখানে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিখ্যাত ছানামুখী, ছানার বরফি, ছানার পোলাও, ছানার আমিত্তি, ছানা ভাজা, ছানা মাছ, মাসের আমিত্তি, বাদশা ভোগ, রাজভোগ, আঙ্গুরী, স্পঞ্জ মিষ্টি, মালাই মিষ্টি, রসমলাই, কদম্ব, ক্ষীর কদম্ব, ক্ষীর জাম, জাফরান ভোগ, মনোরঞ্জন, সেন্ডোজ, চম চম, কাল জাম, লাড্ডু, পেড়া, সন্দেশ, কাঁচাগোল্লা, নিমকি অন্যতম।

দেবী দুর্গার আগমনী বার্তার আনন্দে উদ্বেলিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তরা জানান, দেবী দুর্গার রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি আর মিষ্টি প্রদান করতে হয় তাদের। আর অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টির বিকল্প নাই। তাই বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে তারা আগে থেকেই অর্ডার করে রেখেছেন।

জেলা শহরের মাতৃভাণ্ডার মিষ্টির দোকানের কারিগর পবিত্র পাল জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে দুধ সংগ্রহ করে এখানে এনে আমরা মিষ্টি তৈরি করছি। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন পূজাকে সামনে রেখে মিষ্টি সংগ্রহ করছে। তাই আমরা দম ফেলার সুযোগ পর্যন্ত পাচ্ছি না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মহাদেবপট্টি এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী রুবেল জানান, দেবী দুর্গাকে বরণ করে নিতে প্রায় ৫ রকমের মিষ্টির দরকার হয়। আর এই মিষ্টি সংগ্রহ করতে বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জেলা শহরের মিষ্টির দোকানগুলোতে ভিড় করেন। আর তাদের চাহিদা অনুযায়ী মিষ্টি সরবরাহ করতে আমাদের কারিগররা দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে