,

হঠাৎ মোদির নতুন সুর !

246082_1পাকিস্তান নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘদিন ধরে যে লাগাতার গর্জন করে আসছে তাতে ভাটা পড়ে গেছে। মনমোহন সিংহের সরকারকে উপহাস করে তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানকে প্রেমপত্র নয়, তাদের ভাষাতেই কড়া জবাব দিতে হবে। ফলে পঠানকোট, উরির ঘটনার পরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, মোদির কড়া জবাবের কী হলো?

শনিবার কোঝিকোড়ে দলীয় সভায় নরেন্দ্র মোদিকে নরম সুরে বলতে হলো, তার সরকার পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে একঘরে করার পথেই হাঁটবে। ঠিক যে পথে হাঁটত আগের কংগ্রেস সরকার।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদেন বলা হয়েছে, উরির সেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হানায় ১৮ জন সেনার মৃত্যুর পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি প্রবল হয়েছে গোটা দেশে।

বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের একাংশও সেই পথে চলার পক্ষপাতী। কিন্তু মোদি বুঝতে পেরেছেন, জনসভায় দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গরম গরম কথা বলা এক জিনিস, আর ময়দানে নেমে তাদের মোকাবিলা করা আর এক।

উরির ঘটনার পরেই সেনাবাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য শীর্ষ কর্তারা। সেই বৈঠকে সামরিক কর্তারা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন, দুটি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধ কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয়। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে আমেরিকা, ব্রিটেন বা জার্মানির মতো শক্তিধর দেশ যতই ভারতের পাশে দাঁড়াক, যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তারাই বাধা দেবে। এমনকি সীমান্ত বা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে জঙ্গি ঘাঁটি ভেঙে দিয়ে আসাও সম্ভব নয় বলে মোদিকে জানিয়ে দেন সেনাকর্তারা।

সুতরাং সুর নরম করতে হয়েছে মোদিকে। আজ সকালে দিল্লিতে সেনাকর্তাদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোঝিকোড়ে বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠক উপলক্ষে জনসভায় বললেন, শান্তি ও শুভবুদ্ধিই কেবল আমাদের ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল করতে পারে। যুদ্ধে দুর্দশা বাড়ে।’

মোদি-বিরোধীরা বলছেন, যুদ্ধ যে কোনো সমাধান নয়, সেটা তো জানা কথাই। তাহলে কেন এতদিন যুদ্ধের জিগির তুলতেন— জবাব দিন মোদি। হতাশা চাপা থাকছে না বিজেপির অন্দরেও। যে অস্ত্রে এত দিন কংগ্রেসকে আক্রমণ করা হতো, তা এভাবে মাঠে মারা যেতে দেখে। সরকারিভাবে অবশ্য দল বলছে, প্রকৃত রাষ্ট্রনেতার মতোই আচরণ করেছেন মোদি।

নিজের হাত-পা যে বাঁধা, সে কথা বুঝতে পেরে মোদি আজ আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন কৌশলে যতটা সম্ভব জমি রক্ষা করার। এক দিকে বলেছেন, উরিতে ১৮ জন জওয়ানের বলিদান বৃথা যাবে না।

আসলে জাতীয়তাবাদের হাওয়া ধরে রাখা এই মুহূর্তে মোদির সবচেয়ে বড় দায়। কারণ জাতীয়তাবাদই তার বিজেপির অন্যতম বড় হাতিয়ার। আজ সেই অস্ত্র যদি ভোঁতা বলে প্রতিপন্ন হয়, তা হলে সামনের উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতের বিধানসভা ভোটে তো বটেই, লোকসভা ভোটেও বড় ধাক্কা খেতে হতে পারে।

যমুনা নিউজ

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে