বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ কারণে পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :ছয় ধরনের সুখবরে সুদিনের হাতছানি দিচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার। সুখবরগুলো হচ্ছে, বাজার থেকে চলে যাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক ও বৃহৎ ব্যক্তি, প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রবেশ, চলতি বছরে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট চালু, সর্বস্তরে ব্যাংকের সুদের হার কম থাকা, স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের আগমন এবং নেগেটিভ ইক্যুইটিতে থাকা ছয় হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গড়ে ওঠা।
capital_52075
এর ফলে ২০১০ সালের পর আস্থাসংকট ও তারল্য সংকটে থাকা বাজারে সূচক-লেনদেন ও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ছে। একই সাথে যোগ হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের হারনো মূলধন।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বশেষ তথ্যমতে, পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১২ কার্যদিবস ডিএসইতে উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়েছে। এই সময়ে ডিএসইতে নতুন করে বিনিয়োগকারীদের হারানো মূলধন যোগ হয়েছে ৭ হাজার ১৭৩ কোটি ১৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। এই সমেয় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৪০ পয়েন্ট।

অন্যদিকে ৩-৪’শ কোটি টাকায় আটকে থাকা ডিএসই’র লেনদেনে বেড়ে ৬শ কোটি টাকার কোটায় দাঁড়িয়েছে। দেশের অপর চট্টগ্রাম পুঁজিবাজার (সিএসই) একই ইতিবাচক অবস্থা বিরাজ করছে। ডিএসইর সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, ‘২০১০ সালের পর একের পর এক দরপতনের ফলে লাখ, লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, সর্বশেষ ডিএসইর সূচক যখন চার হাজার পয়েন্টে ছিল, তখন গুলশান ও শোলাকিয়া জঙ্গি হামলায় ভয় পেয়ে, প্যানিকড হয়ে কম পুঁজি বিনিয়োগকারীরা বাজার ছেড়েছেন। তবে এই সময় কম দামে ভাল শেয়ার কিনতে পারায় নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা বাজারে প্রবেশ করেছেন। এছাড়াও বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বিনিয়োগ গত তিন-চার বছরের তুলনায় বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।

ইউসিবিএল ক্যাপিটালের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা (সিইও) রহমত পাশা বলেন, ‘পুঁজিবাজারে প্রধান সমস্যা হচ্ছে আস্থার সংকট। এই সংকট দূর করতে সরকার ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট চালু করছে। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্য থেকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী করছে। এসবের পাশাপাশি মহাধসের পর নেগেটিভ ইক্যুইটিতে পড়ে থাকা ৬ হাজার কোটির বোঝা কমানোর বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।’

ডিএসইর সাবেক পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী বলেন ‘নেগেটিভ ইক্যুইটি সমস্যা সমাধানে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সরকারের কাছে সাবসিডিয়ারি কিংবা ভর্তুকি চায়নি। বাজারে আস্থা ও তারল্য সংকট দূর করতে এই ইক্যুইটি নামক তলোয়ারের যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করতে হবে।’

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান উপরের কারণগুলোর সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রসহ সার্বিকভাবে ব্যাংকগুলোতে আমানতের সুদ হার কমেছে। এর ফলে ভাল লাভের প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারমুখী হচ্ছেন। এই সময় বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট দূর করতে ডিএসই ও সিএসইকে আরো কিছু সংস্কার করতে হবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত