,

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অধিকাংশ সড়ক গর্তে ও খানাখন্দে ভরা

brocken roadডেস্ক রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অধিকাংশ সড়ক গর্তে ভরা৷ অনেক সড়কের পিচ থেকে ইট পর্যন্ত উঠে গেছে। এসব সড়ক দিয়ে রিকশা বা অন্য যানবাহন চলা তো দূরের কথা, পায়ে হাঁটাও কষ্টকর।

পৌরসভার আওতাধীন সড়কের মধ্যে রয়েছে কালীবাড়ি মোড় থেকে শিমরাইলকান্দি; কালীবাড়ি মোড় থেকে পৈরতলা (গোকর্ণ সড়ক); জেলা পরিষদ বিপণিবিতান থেকে স্টেশন রোড; কাজীপাড়া পিটিআই থেকে পুনিয়াউট; পশ্চিম পাইকপাড়া থেকে মেড্ডা, মেড্ডা সবুজবাগ, হালদারপাড়া; ডাকবাংলো মোড় থেকে পুনিয়াউট, খালপাড় সড়ক, জগতবাজার সড়ক, সড়কবাজার, ছাতিপট্টি, ডা. ফরিদুল হুদা সড়ক (এমএস আলী সড়ক); জেল রোড থেকে পীরবাড়ী এবং মুন্সেফপাড়া-ফুলবাড়িয়া সড়ক৷


সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সেফপাড়া থেকে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। হোসেন মিয়া নামের এক বাসিন্দা জানান, এক বছর আগে এই রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল৷ কিন্তু ১৫ দিন যেতে না যেতেই রাস্তার প্রায় পুরোটাতেই কার্পেটিং ও ইট উঠে গেছে। সড়কটি দিয়ে রিকশা বা অটোরিকশা যেতে চায় না।

স্কুলশিক্ষিক মো. হাফিজ বলেন, সড়কের যে অবস্থা তাতে বয়স্ক ব্যক্তি বা রোগী নিয়ে চলাচল করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ছাড়া খালপাড়, সড়কবাজার, জগতবাজার ও ডা. ফরিদুল হুদা সড়ক, জেল রোড থেকে পীরবাড়ি, মেড্ডা সবুজবাগ, পশ্চিম পাইকপাড়া সড়কেরও পিচ, কার্পেটিং উঠে খোয়া বের হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় পানি জমে এসব সড়কের গর্ত মরণফাঁদে পরিণত হয়।

স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি জানান, প্রতিদিনই হাজার হাজার লোক এসব সড়ক দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু সড়কগুলোর বেহাল দশার কারণে যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।


সড়কগুলোর অবস্থা বেহাল হওয়ার কথা স্বীকার করে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন খন্দকার জানান, সামনে ইউএনডিপির (জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মর্সূচি) কিছু প্রকল্প আসছে। শিগগিরই এসব সড়ক মেরামতের কাজের দরপত্র হয়ে যাবে। দরপত্র হয়ে গেলে মুন্সেফপাড়া-ফুলবাড়িয়া সড়কের কাজ আগে ধরা হবে। পৌরসভার মেয়র হেলাল উদ্দিন বলেন, শিগগিরই সড়কগুলোর সংস্কারকাজে হাত দেওয়া হবে।

কালীবাড়ি মোড় থেকে পৈরতলা পর্যন্ত গোকর্ণ সড়কটিই শুধু জেলা পরিষদের আওতাধীন। তবে এই সড়ক সংস্কার নিয়ে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। এরই মধ্যে সড়কটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেছে৷

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই সড়কটির প্রায় পুরোটাতেই কার্পেটিং ও ইট উঠে গেছে। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এই সড়ক দিয়ে পুনিয়াউট, উত্তর মোড়াইল, কাজীপাড়া, স্টেশন রোড, সরকারপাড়া, পৈরতলা, ছয়বাড়িয়া, গোকর্ণঘাট, কালীসীমা, বড়াইলসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে


রিকশাচালক আলম মিয়া (৩৫) বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে চলার সময় খুব সতর্ক থাহি৷ কহন যে রিকশা গর্তে পড়ে। কত সতর্ক থাকা যায়। সারা সড়কই ভাঙা আর গর্তে ভরা।’

জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমদাদুল বারী বলেন, এই সড়ক মেরামত করতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ মাসের মধ্যেই দরপত্র হয়ে যাবে বলে আশা করছি।

এ জাতীয় আরও খবর

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘নিশি’

নাহিদকে মামলা করার চ্যালেঞ্জ ইশরাকের

১২ কোটি টাকার প্রণোদনা পাচ্ছেন ৩৮,৯৭০ আখচাষি

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৫৯

নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা হচ্ছে: শ্রমমন্ত্রী

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৩৬৬

আওয়ামী লীগের মতো বড় চোরের দল বিশ্বে নেই: স্পিকার

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক নয়: গোলাম পরওয়ার

শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে

সীমান্তের ওপার থেকে টাকা, দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী

ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাড়িতে ডিবির অভিযান, আটক ৮৪

দুর্গোৎসবের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী