,

দ্বিগুণ ভাড়ায় ঢাকায় ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার খুলেছে সরকারি- বেসরকারি অফিস। তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ।শনিবার দুপুরে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দেখা গেছে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা মানুষের প্রচণ্ড ভিড়।যাত্রীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে বাস ছাড়েনি। রাস্তায় যানজটে পড়ে বসে থাকতে হয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আবার সায়েদাবাদ টার্মিনালে আসা আন্তঃজেলা পরিবহনগুলো আদায় করেছে দ্বিগুণ ভাড়া।

bus1474112458

আজ দুপুরে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, ‍এশিয়া, এস আলম, সৌদিয়া, ড্রিমলাইন, ইকোনো সার্ভিস, হামিম, পর্যটক, মেঘনা ট্রাভেল, সাকুরা, স্টার লাইন, সুগন্ধা, রয়েলসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে। কোনো বাসেই আসন খালি ছিল না।

মানিকনগরের বাসিন্দা আমিমুল ‍ইসলাম লোটন রাইজিংবিডিকে বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে স্টার লাইন পরিবহনের বাসে ঢাকায় ফিরলেন। দাউদকান্দি, ফেনী ও কাঁচপুরে দীর্ঘ যানজট ছিল। যানজট আর গরমের কারণে তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ভোর ৪টায় বাস ছাড়ার কথা থাকলেও ছেড়েছে ৬টায়। চট্টগ্রাম থেকে ৪৫০ টাকার ভাড়া তার কাছ থেকে ৯০০ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দয়াগঞ্জের বাসিন্দা ‍ওবায়দুল হক রাইজিংবিডিকে বলেন, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করে ঢাকায় ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়েছিলেন। রোববার অফিস করতে হবে তাই আজ (শনিবার) কুমিল্লা থেকে ঢাকায় চলে এসেছেন। কুমিল্লা যাওয়ার সময় দ্বিগুণ দামে টিকিট কাটেন। ঢাকায় আসার ভাড়া ৩৫০ টাকা হলেও ৭০০ টাকা দিয়ে এসেছেন তিনি।

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে কথা হয় রাকিবুজ্জামান নামে এক যাত্রীর সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘পরিবারের সঙ্গে ঈদ করে আজ সুগন্ধা পরিবহনে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থেকে ঢাকায় ‍এসেছি। বাড়ি যাওয়ার সময় দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়েছে। আসার সময়ও দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছে। ভাড়া ৪৫০ টাকা হলেও তাকে ৯৫০ টাকা গুনতে হয়েছে।’

কথা হয় সুগন্ধা পরিবহনের কাউন্টারে টিকিট মাস্টার জাহিদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ঢাকায় যাত্রী নামিয়ে খালি গাড়ি চালিয়ে যেতে হয়। এছাড়া রাস্তায় যানজট রয়েছে। রাস্তায় বিভিন্ন রকম খরচও আছে। এ কারণে বাড়তি ভাড়া নিতে হচ্ছে। এরকম সব ঈদেই কিছু বাড়তি টাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়।

রাজধানীর গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, গাংচিল, টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস, বিআরটিসি, ইলিশ, সোনার তরী, স্বাধীন, গাংচিল, আরাম, নগর, আজমীরি, ‍এন মল্লিকসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আসছে। একটি বাসেও আসন খালি নেই। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, পরিবহনগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করেছে।

লালবাগের বাসিন্দা ‍আয়াত ‍আল ‍আবতাহি রাইজিংবিডিকে বলেন, বাবা-মার সঙ্গে ঈদ করে মাদারীপুর থেকে ঢাকায় ফিরলেন কাটা লাইনে (ভেঙে ভেঙে)। গরমে পরিবার নিয়ে ঢাকায় আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে। ‍দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে আসতে হয়েছে। ‍মাওয়া থেকে গুলিস্তান ‍আসতে ৭০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।

আবার অনেকে ঝুঁকি নিয়ে বাসের ছাদে করে রাজধানীতে ফিরেছেন। বাসের ছাদে আসার কারণ জানতে চাইলে অপর ‍এক যাত্রী নুরুল ‍ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ভিতরে বসে আসলে মাওয়া থেকে ২০০ টাকা ‍আর ছাদে ১৫০ টাকা। তাই ছাদে করেই ‍আসলাম।’

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে