বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৬ বছরের অপেক্ষা: ‘ফাঁসি কার্যকর হলে বুক থেকে পাথর নেমে যাবে’

hasinaনিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রামের কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন আহমেদ ও হাজারি লেইনের বাসিন্দা টুনটু সেন এবং রঞ্জিত দাশকে অপহরণের পর নির্মমভাবে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত মীর কাসেমের রিভিউ খারিজ ও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যদানকারীরা।

মঙ্গলবার রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমের মামাতো বোন ও সাক্ষ্যদানকারী হাসিনা খাতুন বলেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত। ৪৬ বছর ধরে বুকে পাথর বেঁধে রেখেছি। মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর হলে এ পাথর নেমে যাবে।’

মূলত চট্টগ্রামের কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন আহমেদকে নির্যাতনের পর খুনের দায়েই জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানোর রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাজারি লেইনের বাসিন্দা টুনটু সেন ও রঞ্জিত দাশকে অপহরণের পর নির্মমভাবে খুনেরও অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগের বিষয়ে সাক্ষ্যদানকারী মৃদুল দে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রায় ঘোষণার পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, এ রায়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। তার সর্বোচ্চ শাস্তি হয়েছে। অবিলম্বে তা কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।

মীর কাসেমের বর্বর নির্যাতনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নিজের চোখে দেখেছি কী তাণ্ডব ও নির্যাতন চালিয়েছিল সে। মীর কাসেম একাত্তরে যে অপরাধ করেছে তাতে তার একবার নয়, ১৪ বার ফাঁসি হওয়া উচিত।

তবে ট্রাইব্যুনাল টুনটু সেন ও রঞ্জিত দাশকে অপহরণের পর নির্মমভাবে খুনের ঘটনায় মীর কাসেমকে ফাঁসি দিলেও পরবর্তীতে আপিলে খালাস দেয়।

২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ মোট আটজনকে হত্যার দায়ে মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ এসেছিল। ২০১৬ সালের ৮ মার্চ আপিল বিভাগ জসিমকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। এছাড়া আরও বিভিন্ন অভিযোগে পৃথকভাবে মোট ৫৮ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

এ জাতীয় আরও খবর

গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন

লিভার ভালো রাখতে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি ভ্লগার

সাকিবকে ছাড়িয়ে শীর্ষে পরীমনি

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

স্নিগ্ধা ইস্যুতে জেবার দাবি, ‘আমাকে ভুলভাবে জড়ানো হচ্ছে’

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দিনক্ষণ চূড়ান্ত নয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রথম বৈঠক, আলোচনায় ইরান যুদ্ধ

সরকারি নিয়োগ বাতিলের দাবি জামায়াতের

শাহজালালে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত