,

সরাইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত

banduk-juddo_15667সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
সরাইলে পুলিশের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে আবদুস সাত্তার (৩০) নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে সরাইল-অরুয়াইল সড়কের গুনারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। তবে ডাকাতের পরিবারের দাবী বন্ধুক যুদ্ধ নয়,  পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে। পুলিশ জানায়, সাত্তার আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। সে দীর্ঘদিন ধরে সরাইল সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সড়কে ডাকাতি করে আসছে। এছাড়া রয়েছে তার মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট। সাত্তার ডাকাতের নাম শুনলেই গাড়ি চালক ও অনেক যাত্রী চমকে ওঠে। দেশের বিভান্ন জেলায় তার দলবল নিয়ে নিয়মিত ভাড়ায় ডাকাতি করতে যায়। আর সরাইল-নাসিরনগর, সরাইল- অরুয়াইল সড়কে ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট সাত্তার বাহিনী নিয়মিত ডাকাতি করছে। সম্প্রতি মৌলভী বাজার জেলায় ভাড়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পরে সাত্তার সহ ১২ ডাকাত। জনতার ছোড়ে দেয়া চুনে ১০ ডাকাতের চোখে সমস্যা হয়। দীর্ঘদিন কারা ভোগের পর জামিনে আসে সাত্তার। এলাকায় এসে অন্ধের অভিনয় করে সাধারন মানুষ ও পুলিশকে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে। রাতে বিভিন্ন সড়কে ডাকাতি শুরু করে। তার মোবাইল থেকে নিজে দলের অন্য সদস্যদের ফোন দিয়ে জড়ো করত। নানা কৌশলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে সাত্তার শুধু অন্ধত্বের অভিনয় করেছে। চোখে সঠিক ভাবেই দেখত। আর নিয়মিত ডাকাতি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই গত সোমবার সন্ধ্যায় এস আই রাকিব সাত্তারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্যানুসারে দলের অন্য সদস্যদের ধরতে পুলিশ তাকে সাথে নিয়ে রাত সোয়া একটার দিকে রওয়ানা দেয় চুন্টার দিকে। গুনারা নামক এলাকায় পৌঁছার পর সড়কের পাশ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় সাত্তারের সহযোগীরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ও পাল্টা গুলি চালায়। ডাকাত পুলিশ চলে বন্ধুক যুদ্ধ। ডাকাতদল ছোঁড়ে ২৫ রাইন্ড আর পুলিশ ছোঁড়ে ৮ রাউন্ড গুলি। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ডাকাত সাত্তার। গতকাল সকালে সাত্তারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পরিবারের সকলেই কান্নাকাটি করছে। আর বারবার মূর্ছা যাচ্ছে তার মা। সাত্তারের মা সাফিয়া খাতুন (৬০) ও বড় ভাই আবদুল হাকিম অভিযোগ করে বলেন, সাত্তার অন্ধ ছিল। গত রোববার বিকেলে পুলিশ সাত্তারকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। সোমবার ভোরে থানায় গিয়ে এক পুলিশকে ১’শ টাকা দিয়ে ভাত দিয়ে এসেছি। তবে আমার ছেলেকে চোখে দেখিনি। আমার ছেলেকে তারা হত্যা করেছে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ রুপক কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাত্তার আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দার। তার বিরুদ্ধে শুধু সরাইল থানায় ৮টি মামলা রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে