,

তনুর বাবাকে গাড়ি চাপায় হত্যার চেষ্টা!

21915-baba-and-maকুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর বাবাকে গাড়ি ও মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তনুর মা আনোয়ারা বেগম। তাদের মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন তিনি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর হত্যাকারীদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এসব কথা জানান আনোয়ারা বেগম।কুমিল্লা গণজাগরণ মঞ্চ ও ছাত্রসমাজ এ মানববন্ধন আয়োজন করে।
বেলা ১১ থেকে ১২টা পর্যন্ত চলা এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মঞ্চের মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান, বামনেতা মোতাহার হোসেন বাবুল, পরেশ কর, আবুল কাশেম হৃদয় প্রমুখ।

মানববন্ধনে আনোয়ারা বলেন, তনুর খুনিদের না ধরে আমাদের পাহারা দিয়ে রাখা হচ্ছে। বাসার ডিশ লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে যেন তনুর সংবাদ দেখতে না পারি। কিছুদিন আগে তনুর লাশ উদ্ধারের স্থানে তনুর বাবা গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে গাড়ি ও মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

তনুর মা অভিযোগ করে বলেন, সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে গান না গাওয়ায় তনুকে হত্যা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর লোকজন বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তারা আমাদের বাসার ডিসের লাইন কেটে দিচ্ছে,যাতে আমরা টেলিভিশনে কোনো সংবাদ দেখতে না পারি। সেনা সদস্যরা বাসা থেকে তনুর ডায়েরি, অ্যালবাম সব নিয়ে গেছে। তার আর কোনও স্মৃতি চিহ্ন বাসায় নেই।

তনুর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ‘ভুল’ উল্লেখ করে চিকিৎসকদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তনুর মা। তিনি বলেন, আমাদের বাসায় এসে কর্নেল মাসুদ বললেন- রাস্তার পাশে যখন তনুর স্যান্ডেল পেয়েছেন- তা নিয়ে চলে এলেন না কেন? কোনও বাবা-মা কি পারে সন্তানের স্যান্ডেল নিয়ে তার খোঁজ না করে ঘরে ফিরে আসতে? তনুর লাশ শিয়াল-কুকুরে খেলে তখন বলতো শিয়ালে মেরেছে। তনুর যদি স্ট্রোক হতো তাহলে তার লাশ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতো। জঙ্গলে পড়ে থাকতো না। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকতো না।

আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘তনু হত্যার তিনমাস পূর্তি হলো। এখনও এর রহস্য উন্মোচন হলো না।এ সময় তিনি তার দুই ছেলের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে প্রতিদিনের মতো তনু ঘর থেকে বের হন। বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে। কিন্তু চেষ্টা ব্যর্থ হলে যে বাসায় টিউশনি করতেন সেখানে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওই বাসা থেকে তিনি বের হয়ে গেছেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়নামতি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে পাওয়ার হাউসের পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানে তনুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। গলাকাটা মৃতদেহ নগ্ন অবস্থায় কালভার্টের পাশে ঝোপঝাড়ের ভেতর পড়েছিল। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল। মোবাইল ফোনটিও পড়েছিল পাশে। তনুর বাবা মো. ইয়ার হোসাইন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মচারী ছিলেন। তনুর বাবা অনেক দিন ধরেই অলিপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট তনু। সূত্র: আমার সংবাদ

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে