,

আখাউড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

B Baria Map Mainনিজস্ব প্রতিবেদকব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে এলাকাবাসীর কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা গ্রামবাসীর কাছ থেকে এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না এলাকার লোকজন। আবার অনেকে বিদ্যুৎ না পাওয়ার ভয়ে মুখও খুলছেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের নুনাসার গ্রামে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দিতে লাইন টানার কাজ শুরু হয়েছে। নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে যাওয়া লোকজন সম্প্রতি এ নিয়ে সভা করে। সভায় বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদেরকে দিতে ও অন্যান্য কাজে ব্যয় করতে প্রতিটি সংযোগের বিপরীতে ৫০০০ হাজার টাকা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে মিটারের জামানত বাবাদ আরো ৭০০ টাকা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। গ্রামের দু’তিনজন ব্যক্তি এ টাকা উঠিয়ে সংশ্লিষ্টখাতে খরচ করবেন বলেও জানানো হয়।
গতকাল রবিবার রিকশা চালিয়ে এসে পরিচিত দোকানীর কাছে টাকা হাওলাদ চান চালক মাসুক মিয়া। টাকাটা আজই দরকার বলে তিনি পীড়াপিড়ি শুরু করেন। পৌর এলাকার রাধানগরের দোকানী লিমন খাঁন টাকার এত জরুরি প্রয়োজন কেন জানতে চাইলে বেরিয়ে আসে অনিয়মের এক কাহিনী। বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে ’ঘুষ’ দিতে টাকার প্রয়োজন বলে জানায় মাসুক মিয়া। পরে তিনি লিমন খাঁনের পরামর্শে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে কোনো সুরাহা পাননি।
নুনাসার গ্রামের মো. খেলন মিয়া বলেন, ’আমরা দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে গ্রামে বিদ্যুৎ আনার জন্য চেষ্টা করছি। আইনমন্ত্রীর সহায়তায় গ্রামটিতে বিদ্যুৎ আসছে। বিদ্যুৎ আনতে নানা কারণেই কিছু বাড়তি টাকা লাগছে। যারা কাজ করছে, মালমাল আনছে তাঁদেরকে কিছু টাকা দিতে হচ্ছে। আমরা চাই যেভাবেই হোক গ্রামে বিদ্যুৎ এসে যাক। গ্রামের দু’একজন হয়তো এ বিষয়ে আপত্তি করতে পারে। কারো পক্ষে টাকা দেওয়া সম্ভব না হলে সে নিজেই চেষ্টা করে মিটার নিয়ে আসুক’।
মো. মাহমুদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, ’আমরা কয়েকজন বিষয়টির তদারক করছি। মিটারের জামানত (সাড়ে ছয়শ’ টাকা), বিদ্যুৎ উদ্বোধনের অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিভিন্ন কারণে আমরা দেড় হাজার টাকা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়ে সমন্বয় করছি। সবার কাজ একসঙ্গেই করা হবে। তবে কেউ যদি দেড় হাজার টাকার বেশি দিয়ে থাকলে মনে হচ্ছে দালাল ঢুকে গেছে’।
আখাউড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মামুনূর রশিদ বলেন, ’ঠিকাদার লাইন টানার কাজ শেষ করলে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে মিটার দেওয়া। সেখানে এখানো লাইন টানার কাজ চলছে। লাইন টানা শেষে মিটারের জামানত বাবদ নিয়মমাফিক টাকা দিতে হবে গ্রাহকদেরকে। কিন্তু ওই গ্রামেতো আমাদের কার্যক্রমই শুরু হয়নি। টাকা নেওয়ার সঙ্গে পল্লী বিদ্যুত অফিসের কেউ জড়িত নয়’। টাকা নেওয়ার সঙ্গে কারা জড়িত তা খোঁজে বের করার জন্য তিনি এ প্রতিবেদককে অনুরোধ করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে