বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডি ককের শতকে বেঙ্গালুরুকে উড়িয়ে দিলো দিল্লি

de-kock-lrg20160417181349স্পোর্টস ডেস্ক : ২২ বলে ফিফটি। ৪৮ বলে সেঞ্চুরি। শেষ অবধি যখন সাজঘরে ফিরলেন তখন ৫১ বলে নামের পাশে ১০৮ রানের ঝলমলে ইনিংস। জয়ের খুব কাছাকাছি দলকে রেখে ফিরলেও অতৃপ্তি হয়তো তাও ছিল কুইন্টন ডি ককের, যদি জয়সূচক রানটাও তিনি নিতে পারতেন। তবে শেষটা ভালোমতোই করেছেন নায়ার ও ডুমিনি। দলও পেয়েছে দুরন্ত এক জয়। আইপিএলে রোববার রাতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর করা ১৯১ রানের টার্গেট দিল্লি ছুঁয়েছে পাঁচ বল হাতে রেখে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে। সাত উইকেটের এমন জয় সত্যিই চোখ ধাঁধানো।

তিন ম্যাচে দিল্লির এটা দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে বেঙ্গালুরুর এটি প্রথম পরাজয়। প্রথম ম্যাচে হায়দরাবাদকে সহজেই হারিয়েছিল কোহলি শিবির।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু করে ৫ উইকেটে ১৯১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর। যেখানে ৪৮ বলে অধিনায়ক কোহলি করেন ৭৯ রানের দারুণ ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। ৩৩ বলে ৫৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এবিডি ভিলিয়ার্স (দুই চার ও তিন ছক্কা)।

১৯ বলে ৩৩ রান করে ওয়াটসন। বাকিরা ছিলেন ব্যর্থ। তিন বলে শূন্য রান করেন ক্রিস গেইল। দিল্লির হয়ে মোহাম্মদ সামি দুটি, জহির খান ও কার্লোস ব্রাফেট নেন একটি করে উইকেট।

জয়ের জন্য দিল্লিকে করতে হবে ১৯২ রান, যা দুরুহই। কোহলিই কি বুঝতে পেরেছে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক একাই এমন টার্গেট মামুলি বানিয়ে দেবে? ভাবেননি হয়তো। কিন্তু বাস্তবে তাই দেখা গেল। বেঙ্গালুরুর সব বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিলেন কুইন্টন ডি কক। খেললেন ১৮.২ ওভার অবধি। ৫১ বলে ১০৮ রান করে ফিরলেন সাজঘরে। চলতি আইপিএলের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ডি কক তার ইনিংসে হাঁকিয়েছেন ১৫টি চার ও তিনটি ছক্কা।

৪২ বলে ৫৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ডি কককে যোগ্য সঙ্গ দেন করুন নায়ার। পাঁচ বলে সাত রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ডুমিনি। অবশ্য মাঝে আয়ার (০) ও স্যামসন (৯) দ্রুতই মাঠ ছেড়েছিলেন। কিন্তু সেই অভাব বুঝতে দেয়নি ডি কক ও নায়ারের দুর্দান্ত ইনিংস।

নয়নকাড়া সেঞ্চুরির সুবাদে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন ডি ককই। বেঙ্গালুরুর হয়ে ওয়াটসন দুটি ও অরবিন্দ একটি করে উইকেট লাভ করেন।

এ জাতীয় আরও খবর